প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বগুড়ার শেরপুর উপজেলাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত ফ্লাইওভার নির্মাণ প্রকল্পের অনুমোদন ও অর্থ বরাদ্দের ঘোষণায় আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন, প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে উপজেলার ধুনট মোড় থেকে হাজীপুর পর্যন্ত ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হবে।
প্রকল্পের ঘোষণার পর, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও শেরপুর স্বার্থরক্ষা পরিষদের নেতা কেএম মাহবুবার রহমান হারেজ। এ উপলক্ষে তিনি শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাতে শেরপুর শহরের স্যানালপাড়ায় নিজের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বগুড়ার হোটেল মম ইন-এর কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ধুনট মোড় থেকে হাজীপুর পর্যন্ত ফ্লাইওভার নির্মাণের ঘোষণা দেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কথা জানানো হলে শেরপুর উপজেলাজুড়ে আনন্দ ও আশার সঞ্চার হয়।
শেরপুরবাসীর দীর্ঘদিনের কাঙ্ক্ষিত ফ্লাইওভার নির্মাণের দাবিতে ২০২৩ সাল থেকে আন্দোলন চালিয়ে আসছিল শেরপুর স্বার্থরক্ষা পরিষদ। বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য কেএম মাহবুবার রহমান হারেজ এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। প্রায় তিন বছর ধরে চলা দাবি আদায়ের প্রচেষ্টার পর ফ্লাইওভার নির্মাণের ঘোষণা আসায় সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। শেরপুর বাসস্ট্যান ব্যবসায়ী সমিতি, শেরপুর নাগরিক কমিটি সহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকেও আন্দোলন কর্মসূচি পালন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে হারেজ বলেন, "শেরপুরবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত ফ্লাইওভার নির্মাণের ঘোষণা এলাকার মানুষের জন্য আশাব্যঞ্জক।" এ প্রকল্পের অনুমোদন ও অর্থ বরাদ্দের উদ্যোগে যারা ভূমিকা রেখেছেন, তাঁদের প্রতি তিনি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাচ্ছেন।
হারেজ আরো বলেন, "দীর্ঘদিন ধরে বগুড়া উন্নয়নবঞ্চনার শিকার হয়েছে।" বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার বগুড়ার উন্নয়নে হাজার হাজার কোটি টাকার মেগা প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। এসব উদ্যোগের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
এছাড়া, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার জন্য স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং বগুড়া জেলার অন্যান্য জাতীয় সংসদ সদস্যদের ধন্যবাদ জানান হারেজ।
শেরপুরের ফ্লাইওভার নির্মাণের উদ্যোগে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার জন্য শেরপুর-ধুনট নির্বাচনী এলাকার সংসদ সদস্য আলহাজ্ব গোলাম মোহাম্মদ সিরাজের প্রতিও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
শেরপুরের ধুনট মোড় থেকে হাজীপুর পর্যন্ত প্রস্তাবিত ফ্লাইওভারটি নির্মিত হলে এলাকার যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, যানজট নিরসন এবং মানুষের যাতায়াত সহজ করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে স্থানীয়দের প্রত্যাশা। দীর্ঘদিন ধরে এ অঞ্চলের মানুষের উত্থাপিত দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রকল্পটির ঘোষণা স্থানীয়ভাবে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।
শেরপুরবাসীর প্রত্যাশা, ঘোষিত প্রকল্পের পরবর্তী প্রশাসনিক ও বাস্তবায়ন কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হবে এবং দীর্ঘদিনের কাঙ্ক্ষিত ফ্লাইওভার নির্মাণের মাধ্যমে এলাকার যোগাযোগব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন