প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কক্সবাজার পৌরসভা ও সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ ২২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে, যাদের মধ্যে চোর, ছিনতাইকারী, মাদকসেবী, অপরাধে জড়িত এবং ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজার পৌরসভা ও ইউনিয়ন এলাকায় ছিনতাইকারী ও অপরাধীদের ধরার জন্য বিশেষ অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানে ৯ জন চোর-ছিনতাইকারী, ৮ জন মাদকসেবী, ৩ জন ধর্তব্য অপরাধের আসামি এবং ২ জন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে কিছু ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া তাদের বিরুদ্ধে চলমান রয়েছে।
ছিনতাইয়ের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে সাইফুল ইসলাম বাবু (২১), মো. ইসমাঈল ওরফে বাঘা (২৭) এবং আমান উল্লাহ (২৬)। তারা কক্সবাজার সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।
চুরির অভিযোগে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন—সজিব দে (২৩), অপু দে (২২), রশিদ আহম্মদ (২২), আব্দুর রহিম (৩৩), নেছার উদ্দিন (২১) এবং মো. আইয়ুব (২৫)। সজিব দে ও অপু দে চকরিয়া উপজেলার কাকরা ইউনিয়নের শাহ ওমরাবাদ এলাকার বাসিন্দা। অন্যরা কক্সবাজার পৌরসভার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।
মাদকসেবনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে মো. এনামুল হক (২০), রবিউল হাসান (২৬), আব্দুল করিম (২৭), আবুল ফয়েজ (২৬), নুরুল আলম (২৬), এরশাদুল ইব্রাহিম (২০), মো. এহেছান (২০) এবং আবু তৈয়ব (২৭)।
ধর্তব্য অপরাধের জন্য গ্রেপ্তার তিনজন হলেন—মো. রুহুল আমিন (৫৯), মো. মোস্তফা (৬৮) এবং মো. মাজেদ। এছাড়া, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি হিসেবে মো. ইসমাইল (২৪) ও তৈয়বা বেগমকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ওসি মোহাম্মদ আলী আরও জানিয়েছেন, শহর ও আশপাশের এলাকায় চুরি, ছিনতাই, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন