প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
‘জনগণ ছাড়া মাস্টারপ্ল্যান নয়, জনগণের জন্যই এই মাস্টারপ্ল্যান। এটি নাগরিকদের মতামত নিয়েই চূড়ান্ত হবে, চট্টগ্রামবাসী কেমন নগর চান, কোথায় কী সমস্যা রয়েছে এবং আগামী দিনের চট্টগ্রাম কেমন হওয়া উচিত—এসব বিষয়েই নাগরিকদের মতামত নেওয়া হবে।
শনিবার (১ আগস্ট) চউক ভবনের হলরুমে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন মাস্টারপ্ল্যান ২০২৫-২০৫০-এর খসড়া প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (চউক) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন এসব কথাগুলো বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে, আগামী ২ আগস্ট থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দীর্ঘ ৬০ দিনব্যাপী জনমত নেওয়া হবে এই ২৫ বছর মেয়াদি মহাপরিকল্পনার ওপর। নাগরিকরা চউক ভবনের চতুর্থ তলায় সরাসরি উপস্থিত হয়ে খসড়া প্রতিবেদন ও মানচিত্র পর্যালোচনার পাশাপাশি অনলাইন ও ওয়েব-জিআইএসের মাধ্যমে আপত্তি, সুপারিশ বা সংশোধনী জমা দিতে পারবেন।
এটি জানানো হয়েছে যে, ১৯৬১, ১৯৯৫ এবং ২০০৮ সালের ড্যাপের পর এটি চট্টগ্রামের চতুর্থ মহাপরিকল্পনা। এবার মূল শহরের বাইরে আনোয়ারা, রাউজান, হাটহাজারী, পটিয়া ও সীতাকুণ্ডকেও মাস্টারপ্ল্যানের আওতায় আনা হয়েছে। নগরের ওপর চাপ কমাতে পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোতে পরিকল্পিত মিনি শহর ও স্যাটেলাইট টাউন গড়ে তোলার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
চউক চেয়ারম্যান আরো জানান, অনুমোদনহীন এবং শর্ত না মেনে গড়ে ওঠা বেসরকারি হাসপাতাল ও স্থাপনার কারণে নগরীতে যানজট ও পার্কিং সংকট তৈরি হচ্ছে। নতুন পরিকল্পনায় সব সংস্থাকে অনুমোদিত মাস্টারপ্ল্যানের নিয়ম মেনে অবকাঠামো নির্মাণের তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
প্রকল্প পরিচালক মো. আবু ঈসা আনসারী বলেন, একটি মাস্টারপ্ল্যান শুধুমাত্র বিশেষজ্ঞ বা প্রকৌশলীদের নথি হতে পারে না। নাগরিকদের মতামতের মাধ্যমেই জলাবদ্ধতা, যানজট, খাল-পুকুর সংরক্ষণ, খেলার মাঠ ও গণপরিবহনের সংকটগুলোর সঠিক সমাধান পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন