প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফের গাড়িতে হামলার পেছনে ছিল একটি নিখুঁত পরিকল্পনা। মুম্বাই পুলিশের তদন্তে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত দশজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
‘ডেড লেটার বক্স’ একটি ব্যবস্থা, যেখানে নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছানোর আগে কোনো জিনিস রেখে দেওয়া হয়। পরে অন্য একজন সেখানে গিয়ে সেই জিনিস সংগ্রহ করে নেয়। এখানে যিনি জিনিসটি রেখে যান এবং যিনি সংগ্রহ করেন, তাদের সরাসরি দেখা হওয়ার প্রয়োজন নেই। এই বুদ্ধি টাইগার শ্রফের কিলিং মিশনে প্রয়োগ করা হয়েছিল।
এতে যুক্ত অপরাধীদের অস্ত্র সরবরাহের নেটওয়ার্কের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ ছিল। একটি পিস্তল ও ২০ রাউন্ড কার্তুজ সংগ্রহ করে বহনকারীরা। সেই অস্ত্র পৌঁছায় ‘ডেড লেটার বক্স’-এ। সেখান থেকে কিলাররা অস্ত্র সংগ্রহ করে। পুরো চক্রের যোগাযোগ এনক্রিপ্টেড চ্যাটের মাধ্যমে বজায় ছিল।
পুলিশের দাবি, এ মামলায় কুণাল ও সুমিত নামে দুই অভিযুক্ত অমৃতসরে গিয়ে একটি পিস্তল ও ২০ রাউন্ড কার্তুজ সংগ্রহ করেছিল। তাদের কাছে আগে থেকেই সংগ্রহস্থলের তথ্য পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল। রাধা ও ববিতা নামে দুই নারীকে অস্ত্র বহন করার কাজে ব্যবহার করা হয়েছিল।
তদন্তে আরও জানা গেছে, কুণাল ও অনিল পণ্ডিত নামে এক ব্যক্তির মধ্যে এনক্রিপ্টেড অ্যাপের মাধ্যমে যোগাযোগ চলছিল। অস্ত্র সংগ্রহ এবং তা মুম্বাইয়ে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে নির্দেশনা এই অ্যাপের মাধ্যমে দেওয়া হয়েছিল। অস্ত্র পরিবহণের ব্যবস্থা করার জন্য কুণালকে ৭০-৮০ হাজার রুপি প্রদান করা হয়েছিল। সেই অর্থ থেকে দুই নারীকে প্রায় ১০-১২ হাজার রুপি দেওয়া হয়েছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে।
গোটা ঘটনাটিকে একটি সংগঠিত অপরাধ চক্রের সম্ভাব্য অপারেশন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, রোববার (১৮ অক্টোবর) পুষ্প নার্সি পার্কের কাছে গুলিতে জখম হন অভিনেতা টাইগার শ্রফ। ফুটবল খেলা শেষে সেখান থেকে বেরিয়ে আসছিলেন তিনি। হামলাকারীরা তার গাড়ি লক্ষ্য করে সাত রাউন্ড গুলি চালায় এবং পরে মোটরসাইকেলে পালিয়ে যায়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন