প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের আসাম রাজ্যের গুয়াহাটিতে হোটেলের ইজারা ও সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের কারণে গুলিতে পাঁচজন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে একই পরিবারের চারজন রয়েছেন। এ ঘটনার পর আরও একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশ ঘনাকান্ত গগৈ নামক হোটেলের ইজারাদারকে গ্রেপ্তার করেছে।
ঘটনাটি সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে গুয়াহাটির ব্যস্ত জিএস রোডের বোরা সার্ভিস এলাকায় অবস্থিত ‘হোটেল বিলাস ইন’-এ ঘটে। পুলিশ জানিয়েছে, গুলিবর্ষণে মোট ছয়জন আহত হন এবং তাঁদের মধ্যে পাঁচজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে নারায়ণ দাস (৪৮) গুয়াহাটি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া ও ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঘটনার প্রায় এক ঘণ্টার মধ্যে ঘনাকান্ত গগৈকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাঁর কাছ থেকে গুলিবর্ষণে ব্যবহৃত পিস্তলও উদ্ধার করা হয়।
গুয়াহাটির পুলিশ কমিশনার পার্থ সারথি মহান্ত জানিয়েছেন, ঘনাকান্ত গগৈ প্রায় এক বছর আগে হোটেলটি ইজারা নিয়েছিলেন। প্রাথমিক তদন্তে দেখা যাচ্ছে, হোটেলের মালিকপক্ষের সঙ্গে ইজারাদারের চুক্তি ও সম্পত্তিসংক্রান্ত বিরোধ গুলিবর্ষণের সম্ভাব্য কারণ হতে পারে। তবে ঘটনার পেছনের সুনির্দিষ্ট কারণ নিশ্চিত করতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
নিহত পাঁচজনের মধ্যে চারজন হোটেলটির মালিক পরিবারের সদস্য এবং পঞ্চম ব্যক্তি ওই পরিবারের গ্রামের বাসিন্দা। গুলিবিদ্ধ অপর ব্যক্তি সত্যেন্দ্র পাঠক (৪২) ডান কাঁধে আঘাত পেয়েছেন এবং তাঁকে গুয়াহাটি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল।
এ ঘটনায় আসামের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রাজ্য কংগ্রেসের সভাপতি গৌরব গগৈ। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) তিনি মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার প্রতি ঘটনার দায় নেওয়া এবং রাজ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলছে এবং গুলিবর্ষণের পূর্ণাঙ্গ কারণ ও ঘটনার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে। তথ্যসূত্র: টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন