প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাড়ি ভাড়া শোধ করতে গিয়ে গৃহকর্তার সঙ্গে সমস্যা সৃষ্টি হয়। এর পরপরই ৫০০ টাকার জাল নোট ছাপানো শুরু করেন এক ব্যক্তি। ভারতের মহারাষ্ট্রের নাগপুর শহরে এই ঘটনা ঘটেছে, যা স্থানীয়ভাবে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।
বাড়ি ভাড়া না দেওয়ার কারণে বেশ কিছুদিন ধরে ওই ভাড়াটে নিখোঁজ ছিলেন। শেষ পর্যন্ত ঘরের তালা ভাঙার পর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘরজুড়ে ছড়িয়ে থাকা ৫০০ টাকার নোটের মোট মূল্য প্রায় ৪৮ লাখ টাকা।
পুলিশের বিবরণ অনুযায়ী, গত কয়েক দিন ধরে উথোড়া এলাকার ওই ঘরে আসা-যাওয়া বন্ধ করে রেখেছিলেন পুষ্পক কৃষ্ণ ভাণ্ডারকর, যিনি বেনদানে নামেও পরিচিত। সন্দেহ হওয়ায় শনিবার বাড়িওয়ালা রমেশ হাতুড়ি দিয়ে ঘরের দরজার তালা ভাঙেন। ঘরে প্রবেশ করেই তিনি অবাক হয়ে যান। একটি বালতির ভেতর নোটের বান্ডিল, চারদিকে ছড়িয়ে থাকা কাগজ এবং একটি প্রিন্টার দেখে তিনি আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। এরপর তিনি উথোড়া থানায় খবর দেন।
পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তা বস্তা ৫০০ টাকার জাল নোট দেখতে পায়। গণনার যন্ত্র এনে দেখা যায়, সেখানে প্রায় ৩৮ লাখ টাকা মূল্যের জাল নোট ছাপা হয়েছে। এছাড়া এক পিঠে ছাপা কিন্তু অন্য পিঠ ফাঁকা—এমন কিছু আধছাপা নোট ও সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। সব মিলিয়ে জব্দ করা মালামাল ও নোটের আনুমানিক দাম প্রায় ৬২ লাখ ৫৩ হাজার টাকা।
পুলিশের তথ্যে জানা যায়, প্রায় দেড় বছর আগে খারবি এলাকায় ঘরটি ভাড়া নিয়েছিলেন পুষ্পক। চলতি বছরের জানুয়ারিতে তার ভাড়ার চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। তাছাড়া বেশ কয়েক মাস ধরে তিনি বাড়ি ভাড়া দিচ্ছিলেন না।
বাড়িওয়ালা ঘর খালি করার কথা বললে গত মাসে পুষ্পক তাকে ছুরি দেখিয়ে হুমকি দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ওই ঘটনার পর বাড়িওয়ালা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন।
নাগপুরের ত্রিমূর্তি নগরের বাসিন্দা পুষ্পক বর্তমানে পলাতক অবস্থায় রয়েছে। পুলিশ তাকে গ্রেফতারে অভিযান শুরু করেছে। তদন্তকারীরা যখন তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন, তখন জানা যায় যে, তিনি বর্তমানে মুম্বাইয়ে অবস্থান করছেন। তাকে ধরার জন্য খুব শিগগির মুম্বাইয়ে পুলিশের একটি বিশেষ দল পাঠানো হবে বলে জানানো হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন