প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে গত শুক্রবারে ঘটে যাওয়া ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১ জনে পৌঁছেছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া আরও ৫০ জনকে উদ্ধারের জন্য অভিযান চলমান রয়েছে। তবে কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দিয়েছে যে, ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিত থাকার কোনো লক্ষণ এখনও পাওয়া যায়নি।
খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
গত শুক্রবার চীনের চংছিং শহরের পেংশুই কাউন্টিতে এ ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। ভূমিধসে পাহাড়ের পাদদেশ এবং নদীর তীরবর্তী এলাকায় থাকা বেশ কয়েকটি আবাসিক ভবন ধসে পড়ে।
ঘটনাস্থলে উদ্ধারকর্মীদের শত শত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা যায়, বিশাল আকারের পাথর ও মাটির স্তূপ ধসে গিয়ে একটি আবাসিক ও বাণিজ্যিক সড়ক ঢেকে গেছে।
তবে বৃহস্পতিবার রাতের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বিবৃতিতে পেংশুই কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জীবিতদের শনাক্তকরণ ও অনুসন্ধান কার্যক্রমের একাধিক ধাপ সম্পন্ন হওয়া সত্ত্বেও ধ্বংসস্তূপের ভিতরে কাউকে জীবিত থাকার লক্ষণ পাওয়া যায়নি।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ভূমিধসের কারণে বিপুল পরিমাণ ধ্বংসাবশেষ, বিশাল আকারের ও প্রচুর সংখ্যক পাথর, ঘটনাস্থলের সীমিত কর্মপরিসর এবং পাহাড়ের ঢালের অস্থিতিশীলতার জন্য উদ্ধার অভিযান খুবই কঠিন হয়ে পড়েছে।
কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, বিশেষজ্ঞ দলগুলো বৈজ্ঞানিক এবং সুশৃঙ্খল পদ্ধতিতে নিখোঁজদের মরদেহ উদ্ধারের কার্যক্রমে নিয়োজিত রয়েছে এবং এই অভিযান চলমান রয়েছে দিন-রাত।
এ ঘটনায় আরও ১০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
এর আগে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, এই দুর্ঘটনায় ৮ জনের প্রাণহানি ঘটেছে এবং ৩৪ জন নিখোঁজ ছিলেন।
দুর্ঘটনার দুই সপ্তাহেরও কম সময় আগে চীনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় গানসু প্রদেশে আরেকটি ভূমিধসে ৩৩ জন মাটিচাপা পড়েছিলেন। ওই ঘটনায় ২১ জনের মৃত্যু ঘটে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন