প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বার্সেলোনার জন্য এসেছে বড় একটি সুখবর। ক্লাবটি আবারও লা লিগার পুরনো ‘১:১’ নিয়মে ফিরেছে। এর মানে এই যে, দলবদলের বাজারে এখন থেকে বার্সেলোনা স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে পারবে। স্প্যানিশ সংবাদ মাধ্যম মার্কা একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। এতদিন ক্লাবটির দল গঠনে অনেক সমস্যায় পড়তে হয়েছিল কড়া আর্থিক নিয়মের জন্য।
লা লিগার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের তেবাস এবং বার্সেলোনার প্রেসিডেন্ট হুয়ান লাপোর্তা বুধবারের এক অনুষ্ঠানে এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলেননি। তবে দুই পক্ষই জানত, ক্লাবের খেলোয়াড়দের পরিস্থিতি এখন অনেক বদলে গেছে। বহু দিনের কঠিন আর্থিক সংগ্রামের পর এই পরিবর্তন বোর্ডের জন্য একটি বড় স্বস্তি নিয়ে এসেছে।
এই নতুন নিয়মের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, খেলোয়াড় বিক্রি থেকে পাওয়া পুরো টাকা এখন ক্লাব ব্যবহার করতে পারবে। আগে, এই টাকার ছোট একটি অংশ, মোটে চার ভাগের এক ভাগ, ব্যবহার করার অনুমতি ছিল। উদাহরণস্বরূপ, আনসু ফাতিকে বিক্রি করে পাওয়া এগারো মিলিয়ন ইউরো এবং ইনিয়াকি পেনিয়াকে বিক্রি করে পাওয়া তিন মিলিয়ন ইউরো এখন নতুন খেলোয়াড় কেনার কাজে পুরোপুরি ব্যবহৃত হবে। যদি মার্ক কাসাদোকে ত্রিশ মিলিয়ন ইউরোতে বিক্রি করা হয়, তাহলে সেই টাকাও একইভাবে ব্যবহার করা যাবে।
এছাড়া, ক্লাব তাদের বেতনের খরচও অনেকটা কমাতে পেরেছে। বেশ কিছু বেশি বেতন পাওয়া খেলোয়াড় ক্লাব ছাড়ার ফলে প্রায় আটান্ন মিলিয়ন ইউরোর মতো জায়গা খালি হয়েছে। যদি মার্ক-আন্দ্রে টের স্টেগেন ও কাসাদো ক্লাব ছাড়ে, তবে এই অঙ্ক আরও বাড়তে পারে। এই সুবিধার কারণে অ্যান্থনি গর্ডনকে দলে টানা সম্ভব হয়েছে। আটলেটিকো মাদ্রিদের তারকা হুলিয়ান আলভারেজের পেছনেও বার্সা লেগে আছে।
অন্যদিকে, খেলোয়াড় নিবন্ধন নিয়েও আর দুশ্চিন্তা নেই। আগের মৌসুমগুলোতে দানি অলমো ও পাউ ভিক্তরের মতো খেলোয়াড়দের নিবন্ধনের জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করা লাগত। লা লিগার অনুমোদন পেতে দেরি হওয়ার ফলে সমর্থকরাও চিন্তায় থাকতেন। কিন্তু নতুন নিয়মে এই ধরনের ঝামেলা অনেকটাই কমে যাবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন