প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গতকাল বাংলাদেশের হয়ে ওয়ানডে ক্রিকেটে অভিষেক হয়েছে। তবে আজ অফ স্পিনার আলিস আল ইসলামকে দুঃসংবাদ শুনতে হলো। শারজায় আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ত্রিদেশীয় সিরিজের ম্যাচে আলিসের বোলিং অ্যাকশন সন্দেহজনক বলে মন্তব্য করেছেন ম্যাচ অফিশিয়ালরা। এর ফলে, তাকে বোলিং অ্যাকশনের পরীক্ষা দিতে হবে।
আইসিসি আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, বুধবার (২১ অক্টোবর) শারজায় আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত ম্যাচে আলিসের বোলিং অ্যাকশন সন্দেহজনক মনে হয়েছে ম্যাচ অফিশিয়ালদের। ২৯ বছর বয়সী এই অফ স্পিনারকে এখন আইসিসির স্বীকৃত পরীক্ষাকেন্দ্রে বোলিং অ্যাকশনের পরীক্ষা দিতে হবে।
আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, যদি পরীক্ষায় কোনো বোলারের বোলিং অ্যাকশন অবৈধ প্রমাণিত হয়, তাহলে তাকে বোলিং থেকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়। বোলিং অ্যাকশনে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন এনে পুনরায় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেই কেবল তিনি আবার বোলিং করতে পারেন।
এর আগে ঘরোয়া ক্রিকেটে আলিস আল ইসলামের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে দুবার প্রশ্ন উঠেছিল। ২০১৯ সালে নিজের বিপিএল অভিষেকের সময় তার অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন উঠলে তিনি অ্যাকশন সংশোধন করে ফিরে আসেন। ২০২৫ বিপিএলেও তার বোলিং অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছিল। এ দফায়ও তিনি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।
আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, বোলারের হাত কাঁধের সমান্তরালে আসার পর থেকে বল ছাড়ার আগ পর্যন্ত কনুই ১৫ ডিগ্রির বেশি প্রসারিত হলে সেই বোলিং অ্যাকশন অবৈধ হিসেবে গণ্য হয়।
মাঠে ম্যাচ অফিশিয়ালরা তাদের অভিজ্ঞতা ও খালি চোখে পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে কোনো বোলারের অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করতে পারেন। এরপর সংশ্লিষ্ট বোলারের অ্যাকশন পরীক্ষা করা হয় আইসিসির স্বীকৃত পরীক্ষাকেন্দ্রে। সেখানে আধুনিক প্রযুক্তি ও মানবদেহের নড়াচড়া নিয়ে কাজ করা বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে পরীক্ষা করে অ্যাকশনের বৈধতা নির্ধারণ করা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন