প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জুমার দিন মুসলমানদের জন্য বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ একটি দিন। এ দিন জুমার নামাজ আদায়ের জন্য আগে আগে মসজিদে যাওয়ার প্রতি বিশেষ উৎসাহ দেয়া হয়েছে রাসুলুল্লাহ (সা.) এর তরফ থেকে। হাদিসে উল্লেখ আছে সময়মতো গোসল করে দ্রুত মসজিদে যাওয়ার অনেক বড় ফজিলতের কথা।
হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—
«مَنِ اغْتَسَلَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ غُسْلَ الْجَنَابَةِ ثُمَّ رَاحَ فَكَأَنَّمَا قَرَّبَ بَدَنَةً...»
অর্থাৎ, যে ব্যক্তি জুমার দিনে ভালোভাবে গোসল করে প্রথম সময়ে মসজিদে যায়, সে যেন একটি উট কোরবানি করল। যদি দ্বিতীয় সময়ে যায় তবে সে গরু কোরবানির সওয়াব পাবে, তৃতীয় সময়ে গেলে শিংওয়ালা দুম্বা কোরবানির সওয়াব, চতুর্থ সময়ে গেলে মুরগি সদকা করার সওয়াব এবং পঞ্চম সময়ে গেলে ডিম সদকা করার সওয়াব প্রাপ্ত হবে।
এরপর যখন ইমাম খুতবার জন্য বের হন, তখন ফেরেশতারা উপস্থিত হয়ে খুতবা শুনতে থাকেন। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৮৮১; সহিহ মুসলিম)
আরেক হাদিসে আরও উল্লেখ আছে জুমার দিন আগে মসজিদে যাওয়ার বড় ফজিলত সম্পর্কে।
হযরত আওস ইবনে আওস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন গোসল করে সকাল সকাল মসজিদের দিকে রওনা দেয়, যানবাহনের পরিবর্তে পায়ে হেঁটে যায়, ইমামের কাছে বসে মনোযোগ সহকারে খুতবা শোনে এবং কোনো অপ্রাসঙ্গিক কাজে লিপ্ত না হয়, তার প্রতিটি পদক্ষেপের বিনিময়ে এক বছর রোজা রাখা এবং রাতে নফল নামাজ আদায়ের সমপরিমাণ বিশাল সওয়াব লেখা হয়।
(সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৩৪৫)
জুমার দিন অতএব, শুধুমাত্র নামাজ আদায়ের জন্য মসজিদে যাওয়া নয়, বরং আগে থেকেই প্রস্তুতি গ্রহণ করা, গোসল করা, দ্রুত মসজিদে পৌঁছানো এবং মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনার মধ্যেও বিশেষ ফজিলত নিহিত রয়েছে। মুসলমানদের উচিত জুমার দিনের এই মূল্যবান সময়কে গুরুত্ব দিয়ে ইবাদতে কাটানো।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন