প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় শাবওয়া প্রদেশে ঘটেছে একটি মর্মান্তিক ঘটনা। সেখানে আল-আলম সামরিক ঘাঁটিতে নতুন তরুণ সেনাদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ চলছিল। কিছু সেনা দৌড়াচ্ছিলেন, আবার কেউ ব্যস্ত ছিলেন শারীরিক কসরতে। ঠিক সেই মুহূর্তে আকাশ কাঁপিয়ে একের পর এক ভয়ংকর ক্ষেপণাস্ত্র এসে আঘাত হানে। মুহূর্তের মধ্যে আনন্দমুখর প্রশিক্ষণ মাঠটি পরিণত হয় এক শ্মশানে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের এই ঝটিকা হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৫৩ জন সেনা।
প্রাথমিকভাবে খবর পাওয়া যায় যে, এই হামলায় ১৮ জন নিহত এবং ৩০ জনের মতো আহত হয়েছেন। তবে ধ্বংসস্তূপ সরানোর পর একের পর এক নিথর দেহ বের হয়ে আসতে থাকে। কিছুক্ষণের মধ্যেই স্থানীয় প্রশাসন নিশ্চিত করে, নিহতের সংখ্যা অন্তত ৫৩ জন। আহত হয়েছেন আরও প্রায় দুইশ মানুষ।
এই ঘটনার পর দেশের সরকার নড়েচড়ে বসেছে। ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট লিডারশিপ কাউন্সিলের প্রধান রাশাদ আল-আলিমী তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, হূথিরা এখন তরুণ ও অবুঝ রিক্রুটদের নিশানা বানাচ্ছে। তিনি এই হামলার কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।
অন্যদিকে, হুথি বিদ্রোহীরাও প্রকাশ্যে দাবি করেছে যে, এই হামলার দায় সম্পূর্ণ তাদের। তাদের মুখপাত্র হুঙ্কার দিয়ে জানান, ইয়েমেনের মাটিতে সৌদি সমর্থিত কোনো সেনাক্যাম্প আর বাকি রাখা হবে না, সেটাই এখন তাদের মূল লক্ষ্য।
ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধ ও হানাহানি যেন থামার নামই নিচ্ছে না। কিছুদিন আগে দুই পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি থাকলেও লোহিত সাগর নিয়ে নতুন করে দ্বন্দ্ব শুরু হওয়ায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সরকারি বাহিনী হারানো এলাকা উদ্ধারে ‘ডন অব ইয়েমেন’ নামের অভিযান শুরু করায় চারদিকে এখন কেবলই রক্তের হোলি খেলা চলছে।
সূত্র: আল-জাজিরা
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন