প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
এক মাস আগে সড়কের উপর পাঁচ অঙ্কের টাকা কুড়িয়ে পেয়েছিলেন পোশাকশ্রমিক কবির মিয়া। প্রকৃত মালিকের খোঁজ করার পরও তিনি সন্ধান পাননি। অবশেষে এক হাজার টাকা খরচ করে এলাকায় মাইকিং করার সিদ্ধান্ত নেন এই শ্রমিক।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ডাঙ্গা ইউনিয়ন ও ঘোড়াশাল পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে মাইকিং করেন কবির। তিনি উপজেলার হাসনহাটা গ্রামের মো. আকবর আলীর পুত্র।
কবির জানান, গত ৩ অক্টোবর বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে ঘোড়াশাল-ডাঙ্গা সড়কের হাসনহাটা এলাকায় কর্মস্থল থেকে ফেরার পথে টাকাগুলো পড়ে থাকতে দেখেন। কুড়িয়ে নেওয়ার পর রাত ৯টা পর্যন্ত এলাকাবাসীর সহায়তায় মালিকের খোঁজ করেন। পরে স্থানীয় মসজিদের ইমামের পরামর্শে অপেক্ষা করতে থাকেন। প্রতিদিন কর্মস্থলে যাওয়া-আসার পথে সহকর্মী, অটোরিকশাচালক ও স্থানীয়দের কাছেও খোঁজ নেওয়া হয়। ঘটনার দিন প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চরকা কারখানার শ্রমিকদের বেতন দেওয়া হয়েছিল বলে জানার পর সেখানেও বিষয়টি প্রচার করেন। তবে এক মাস পার হলেও কেউ টাকা নিতে আসেননি।
শুক্রবার মাইকিংয়ের সময় টাকার সঠিক বিবরণ দিয়ে যোগাযোগের জন্য পূর্ব হাসনহাটার বাইতুন নূর জামে মসজিদের ইমামের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়। এ সময় নিজের মুঠোফোন নম্বরও প্রচার করেন কবির।
তিনি বলেন, "হয়ত টাকাগুলো কারও অনেক কষ্টের উপার্জন। অন্যের টাকা নিজের কাজে খরচ বা দান করতে পারেন না।" আগামী সাত দিনের মধ্যে যদি কেউ মালিকানা দাবি না করেন, তাহলে টাকাগুলো এতিমখানায় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা।
মসজিদের ইমাম নাজমুল হাসান বলেন, প্রকৃত মালিকের সন্ধান না পেয়ে কবির মাইকিংয়ের উদ্যোগ নিয়েছেন। অন্যের সম্পদ ফেরত দিতে তার এই প্রচেষ্টা সততার একটি দৃষ্টান্ত।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন