প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে গ্রেফতার না করার নির্দেশনা দিয়ে হাইকোর্টের আদেশকে বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ, সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া।
রোববার (৯ আগস্ট) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বিভাগ এই আদেশ প্রদান করেছেন।
আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী কামরুল হক সিদ্দিকী, সারা হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান খান এবং আইনজীবী মাহবুব শফিক, মোনায়েম নবী শাহীন প্রমুখ। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ মেহেদি হাসান চৌধুরী।
এর আগে, গত ১৭ মে হাইকোর্ট বেঞ্চ, বিচারপতি রাজিক–আল–জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে, রুলসহ এ আদেশ প্রদান করেছিল।
গত বছরের ২৪ জুলাই ধানমন্ডির নিজ বাসা থেকে বিচারপতি খায়রুল হককে গ্রেফতার করা হয়েছিল। পরবর্তীতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময়ে যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। ৮ মার্চ হাইকোর্ট রুল মঞ্জুর করে চারটি মামলায় তাকে জামিন দেন। তারপর ১১ মার্চ তিনি দুদকের মামলায়ও জামিন পান। রাষ্ট্রপক্ষ এই জামিন স্থগিতের জন্য আবেদন করলেও, আপিল বিভাগ তা খারিজ করে দেয়।
১১ মার্চের পর, যাত্রাবাড়ী থানায় আরিফ ও আদাবর থানায় রুবেল হত্যা মামলায় তাকে নতুন করে গ্রেফতার দেখানো হয়। এসব মামলায় তিনি নিম্ন আদালতে জামিন চেয়ে ব্যর্থ হওয়ার পর হাইকোর্টে আবেদন করেন। তার পর ২৮ এপ্রিল যুবদলকর্মী হত্যা, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রায় জালিয়াতি এবং দুদকের করা—এই পাঁচ মামলায় আপিল বিভাগ বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন বহাল রাখেন।
১২ মে তিনি যাত্রাবাড়ী ও আদাবর থানার দুটি হত্যা মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পান। তার বিরুদ্ধে থাকা মোট সাতটি মামলায় সবকটিতে জামিন হওয়ার পর আইনজীবীরা জানান, আপাতত তার কারামুক্তিতে কোনো আইনি বাধা নেই। কিন্তু রাষ্ট্রপক্ষ হাইকোর্টের এই জামিন আদেশ স্থগিত করার জন্য আপিল বিভাগে আবেদন করে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন