প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, ফেসবুকের মালিক প্রতিষ্ঠান মেটার বিরুদ্ধে সরাসরি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বর্তমানে দেশে কোনো আইনগত বিধান নেই। তিনি এ বিষয়ে বলেন, বিদ্যমান আইনে এই ধরনের কোনো কাঠামো না থাকায় বর্তমানে সরকার কেবল অনুরোধের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নিতে পারে।
সোমবার (৮ জুন) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সংসদ সদস্য বেগম হেলেন জেরিন খান (মহিলা আসন-৯)-এর লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
জেরিন খান জানতে চেয়েছিলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া আইডি, বট-নিয়ন্ত্রিত অ্যাকাউন্ট, এআই-জেনারেটেড ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্ট, রাজনৈতিক ব্যক্তিদের চরিত্রহনন, বিভ্রান্তিকর প্রচারণা এবং নারী হয়রানি প্রতিরোধে সরকার কী পদক্ষেপ নিয়েছে।
জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অপতথ্য প্রতিরোধের জন্য সাইবার আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া, সংশোধিত আইনে যথাযথ শাস্তির বিধান যুক্ত করা হবে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলোকে জবাবদিহিতার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি আরও যোগ করেন যে, সরকার চায় যাতে অনুরোধ পাওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো দ্রুত ব্যবস্থা নেয় এবং কনটেন্ট অপসারণ করে। তবে বর্তমানে অনুরোধ করার পরেও অনেক ক্ষেত্রে ৬ মাস পর্যন্ত সময় লেগে যায় বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, মত প্রকাশের স্বাধীনতার নামে বর্তমানে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অপপ্রচার ছড়ানো হচ্ছে, যার মধ্যে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যদের উপর অপপ্রচার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এসবকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য আইনি সংস্কারের প্রয়োজন আছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। সরকারের কাছে সরাসরি ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কোনো বিধান নেই, তাই তারা কেবল অনুরোধ করতে পারে। এই সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন