প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বকাপের ইতিহাসে বেশ কিছু ম্যাচ শুধুমাত্র ফুটবল নয়, এটি আবেগ, বিস্ময় এবং ইতিহাসের একটি অংশে পরিণত হয়। ২০২৬ বিশ্বকাপে ফ্রান্স ও সেনেগালের মুখোমুখি লড়াই এই ধরনের এক স্মৃতি পুনর্জাগরণ ঘটাতে চলেছে।
২৪ বছর আগে, ২০০২ সালের বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে তৎকালীন চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সকে ১-০ গোলে পরাজিত করে বিশ্বের সামনে চমক সৃষ্টি করেছিল সেনেগাল। পাপা বুবা দিয়পের সেই ঐতিহাসিক গোল আজও আফ্রিকান ফুটবলের অন্যতম সেরা মুহূর্ত হিসেবে মনে করা হয়।
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আজ রাতের ম্যাচে আবারও মুখোমুখি হবে দুই দল। বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় শুরু হবে এই বহুল প্রতীক্ষিত লড়াই।
কাগজে-কলমে ফ্রান্সই ফেভারিট। কিলিয়ান এমবাপ্পে, উসমান দেম্বেলে, এনগোলো কন্তে ও উইলিয়াম সালিবাদের সমন্বয়ে শক্তিশালী দলে মাঠে নামবে তারা। তবে প্রস্তুতি ম্যাচে এমবাপ্পের গোলখরার পাশাপাশি দলের কিছু অনিশ্চয়তা নিয়ে আলোচনা রয়েছে।
অন্যদিকে সেনেগাল এখন আর আগের মতো আন্ডারডগ নয়। অধিনায়ক কালিদু কুলিবালি, গোলরক্ষক এদুয়ার মঁদি এবং উইঙ্গার ইসমাইলা সারদের নিয়ে তারা একটি যথেষ্ট ভারসাম্যপূর্ণ দল তৈরি করেছে। কোচ পেপ থিয়াও, যিনি ২০০২ সালের সেই ঐতিহাসিক দলের সদস্য ছিলেন, এবার সাইডলাইনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
থিয়াও মনে করেন, বর্তমান আফ্রিকান ফুটবল অনেক উন্নত হয়েছে। তাই ফ্রান্সকে পরাজিত করার বিষয়টিকে আর ‘অঘটন’ বলা উচিত হবে না।
বিশ্বকাপের ষষ্ঠ দিনে অনুষ্ঠিত হতে চলা এই ম্যাচ নিয়ে উত্তেজনা তুঙ্গে। একই দিনে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা ও নরওয়ের মতো দলও। তবে সব আলো যেন ফ্রান্স-সেনেগাল ম্যাচের দিকে।
কারণ এটি শুধুমাত্র তিন পয়েন্টের লড়াই নয়, এটি অতীতের স্মৃতি এবং বর্তমান বাস্তবের মুখোমুখি হওয়ার একটি বিষয়। ২০০২ সালে সেনেগাল দেখিয়েছিল, ফুটবলে অসম্ভব বলে কিছু নেই। এবারও কি তারা ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটাতে পারবেন, নাকি ফ্রান্স শুরু করবে শিরোপা জয়ের নতুন যাত্রা?
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন