প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভেনেজুয়েলায় শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পে, যা সম্প্রতি আঘাত হেনেছে, এখন পর্যন্ত মোট ১ হাজার ৪৩০ জনের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এই ভূমিকম্পের ফলে ৬৯ হাজার মানুষ এখনও নিখোঁজ রয়েছে। জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) জানিয়েছে যে, ভূমিকম্পের ফলে ৪ দশমিক ৭ থেকে ৮ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।
শনিবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার একটি রিপোর্টে এ তথ্য উঠেছে। উল্লেখ্য, দেশের ভূমিকম্পটি গত বুধবার রিখটার স্কেলে ৭ দশমিক ২ ও ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী আঘাত হিসাবে রূপ নিয়েছে, যার ফলে উপকূলীয় লা গুয়াইরা অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এলাকাটিকে দুর্যোগকবলিত ঘোষণা করা হয়েছে।
উদ্ধার কাজের পরিপ্রেক্ষিতে, শুক্রবার রাত থেকে কর্তৃপক্ষ এলাকায় যাতায়াতের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে, যা উদ্ধারকাজে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। স্থানীয়রা খালি হাতে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে স্বজনদের উদ্ধারের চেষ্টা করছেন। ভূমিকম্পের পর জীবিত উদ্ধার অভিযানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ৭২ ঘণ্টা শেষ হয়ে আসছে বলেও সতর্ক করেছে সহায়তাকারী সংস্থাগুলো।
সরকারি কর্মকর্তারা জানান, বিশেষ অনুমতি নিয়ে লা গুয়াইরা এলাকায় প্রবেশ করতে হবে, তবে এ অনুমতি কারা পাবেন, সে বিষয়ে কোনো তথ্য দেয়নি কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় সরকারি উদ্ধারকারী দলের উপস্থিতি যথেষ্ট নয়। অন্যদিকে, সরকার এর বিপরীতে ব্যাপক তৎপরতার দাবি করছে।
ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির প্রেসিডেন্ট হোর্হে রদ্রিগেজ মন্তব্য করেন, “এখন প্রতিটি প্রাণ বাঁচানোই এক একটি অলৌকিক ঘটনা।” তিনি এই ট্র্যাজেডির ভয়াবহতার কিছুই আড়াল করবেন না বলে জানান।
ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ বলেন, “সরকার এই সংকটপূর্ণ সময়ে উদ্ধারকাজে সর্বশক্তি নিয়োগ করেছে।” তিনি আন্তর্জাতিক উদ্ধারকারী দল ও মানবিক সহায়তাকে স্বাগত জানিয়েছেন।
সূত্র: আল-জাজিরা
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন