প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দীর্ঘ ২৪ বছর পর আফ্রিকার মাটিতে ফিরে আসছে পুরুষদের ওয়ানডে ক্রিকেট বিশ্বকাপ। আগামী বছর দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়া যৌথভাবে এই মেগা ইভেন্টের আয়োজন করতে যাচ্ছে, যা বিশ্বজুড়ে দর্শকদের মধ্যে অভূতপূর্ব উন্মাদনা সৃষ্টি করেছে। টুর্নামেন্ট শুরু হতে এখনও অনেক সময় বাকি থাকলেও, টিকিটের জন্য বিশ্বজুড়ে চলছে হাহাকার। তবে গ্রুপ পর্বে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ম্যাচটি এবার সকলকে অবাক করে দিয়েছে, যা ফাইনালের চেয়েও বেশি টিকিটের আবেদন জমা পড়েছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) তথ্য অনুযায়ী, এই হাইভোল্টেজ লড়াইয়ের টিকিট পাওয়ার জন্য আবেদন জমা পড়েছে।
আইসিসির হিসাব অনুযায়ী, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচটি আগামী ১০ অক্টোবর জোহানেসবার্গের ওয়ান্ডারার্স স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। একই মাঠে ২১ নভেম্বর টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। যেখানে ফাইনালের জন্য প্রায় ৮০ লাখ টিকিটের আবেদন জমা পড়েছে, সেখানে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের টিকিটের জন্য আবেদন পড়েছে প্রায় ৮৪ লাখ। ক্রিকেটের দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর এই লড়াই বিশ্বজুড়ে কতটা আলোড়ন সৃষ্টি করেছে, এটি তার একটি অনন্য প্রমাণ।
বিশ্বকাপের টিকিট পেতে এখন পর্যন্ত ১৯৩ দেশ থেকে প্রায় ৩০ লাখ সমর্থক নিবন্ধন করেছেন। বিশ্বজুড়ে মোট টিকিটের আবেদন ১২ কোটি ছাড়িয়ে গেছে। টিকিটের এই বিপুল চাহিদা শুধুমাত্র ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং অন্যান্য ম্যাচগুলিতেও এর প্রভাব স্পষ্ট। উদাহরণস্বরূপ, জিম্বাবুয়ের ভিক্টোরিয়া ফলসে ২৪ অক্টোবর জিম্বাবুয়ে-ভারত ম্যাচের জন্য ৩৩ লাখের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। অন্যদিকে, নামিবিয়ার উইন্ডোহকে ৮ অক্টোবর ইংল্যান্ড-বাংলাদেশ ম্যাচের জন্যও প্রায় ৯ লাখ দর্শক টিকিট চেয়েছে।
আগামী বছর ১৪ দলের অংশগ্রহণে ২ অক্টোবর থেকে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে এ বিশ্বকাপ। মোট ১২টি স্বাগতিক শহরের ৫৭ ম্যাচের জন্য টিকিটের আবেদন গ্রহণ চলবে চলতি বছরের ২১ নভেম্বর পর্যন্ত। আইসিসির ইভেন্টস অ্যান্ড অপারেশনস জেনারেল ম্যানেজার গৌরব সাক্সেনা দর্শকদের এই সাড়াকে ‘অভূতপূর্ব’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। আফ্রিকার মাটিতে ওয়ানডে বিশ্বকাপের এই প্রত্যাবর্তন ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ সৃষ্টি করেছে, এবং টিকিটের এই রেকর্ডভাঙা চাহিদাই তার সবচেয়ে বড় সাক্ষী।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন