প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে আবারও বিস্ময়কর প্রদর্শন করল নামিবিয়া। নিয়মিত দলের বেশির ভাগ খেলোয়াড়কে বিশ্রামে রেখে মাঠে নামা প্রোটিয়াদের ১৮ রানে পরাজিত করে ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজে অসাধারণ সূচনা করেছে স্বাগতিকরা। এই জয়ের মাধ্যমে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টিতে অপরাজেয় থাকার রেকর্ড বজায় রেখেছে গেরহার্ড এরাসমাসের দল। ম্যাচের নায়ক ছিলেন পেসার রুবেন ট্রাম্পেলম্যান, যিনি বিপজ্জনক ডিওয়াল্ড ব্রেভিসসহ ৩ উইকেট দখল করেন।
উইন্ডহোকে শুক্রবার টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় নামিবিয়া। লুরেন স্টিনক্যাম্প ও জ্যান ফ্রাইলিঙ্কের ৮৪ রানের জুটি দশম ওভারে ভেঙে যায়। ২৯ বলে ৪১ রানে প্রোটিয়াদের নতুন অধিনায়ক বিয়র্ন ফোরটুইনের শিকার হন স্টিনক্যাম্প। ৩৮ বলে ৬ চার ও ২ ছয়ে ৬০ রান করেন ফ্রাইলিঙ্ক। এরপর দলের ৬ উইকেট হারিয়ে বিপদের মধ্যে পড়ে নামিবিয়া, যখন তারা ১৩৩ রানের মধ্যে পৌঁছায়। শেষের আগের ওভারে টানা দুটি উইকেট হারায় নামিবিয়া। রুবেন ট্রাম্পেলম্যান ৬ বলে ১২ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলে দলীয় স্কোর ১৬৩ রানে নিয়ে যান।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রোটিয়ারা পরপর দুই ওভারে ২৪ রানের মধ্যে দুই ওপেনার জর্ডান হারমান ও লুয়ান দ্রে প্রিটোরিয়াসকে হারায়। ডেওয়াল্ড ব্রেভিস একপ্রান্ত ধরে রাখলেও অন্য প্রান্তে কেউ স্থায়ী হতে পারেনি। বাকিদের ব্যর্থতায় ব্রেভিসের ঝড় দক্ষিণ আফ্রিকাকে জয় এনে দিতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত প্রোটিয়ারা ১৪৫ রানে থামে।
জয়ের পর নামিবিয়ার অধিনায়ক গতবছর দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারানোর স্মৃতি মনে করিয়ে দেন। গেরহার্ড এরাসমাস বলেন, "এটা (দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জয়) খুবই গুরুত্বপূর্ণ, এটা প্রমাণ করে যে আমরা এই পর্যায়ের এবং আগের জয় বা বড় জয়গুলো কোনো আকস্মিক ঘটনা ছিল না।"
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আগেই চমক দেখিয়েছে নামিবিয়া। গতবছর দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ঘরের মাঠেও জয় পেয়েছিল তারা।
এ নিয়ে অধিনায়ক বলেন, "শুধু বিশ্বকাপে না, আমরা দেখিয়েছি যে ঘরের মাঠেও আমরা ধারাবাহিক হতে পারি এবং সেরাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারি।"
এরাসমাস মনে করেন, সবাই নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করায় দলগত পারফরম্যান্সে জয় এসেছে নামিবিয়ার।
তিনি বলেন, "পাওয়ারপ্লেতে ব্যাটাররা ভালো করেছে, বোলাররাও খেলায় নিজেদের মানিয়ে নিয়েছে। বোলারদের কৃতিত্ব দিতেই হয়, কারণ ব্রেভিস তাদের হয়ে দলকে ধরে রেখেছিল। প্রত্যেকেই নিজ নিজ ভূমিকা পালন করেছে, যা দলটিকে হারানো কঠিন করে তুলেছে।"
তবে নামিবিয়া এক জয় নিয়েই সন্তুষ্ট নয়। তাদের লক্ষ্য এই সিরিজের ট্রফিজয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন