প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গ্রামবাংলার হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যকে পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্যে সোমবার (২১শে সেপ্টেম্বর-২৬) দিনব্যাপী বগুড়ার গাবতলী বালিয়াদিঘী ইউনিয়নের তরুণীহাটে ইছামতী নদীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন রাউন্ড শেষে প্রথম স্থান অধিকার করে "রাখে আল্লাহ মারে কে" এবং দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে "বিজয় উল্লাস" নৌকার মালিক। ১০নং বালিয়াদিঘী ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গদলের আয়োজনে সমাপনী অনুষ্ঠানে গাবতলী উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক মোছাঃ সহমিনা আক্তার রুমা আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
বালিয়াদিঘী ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি নবীর হোসেন আকন্দ, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রোকন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক বাবুল মন্ডল, মহিষাবান ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন মন্ডল, বিএনপি নেতা খোরশেদ আলম, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইলিয়াস মাহমুদ উজ্জ্বল, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রেজাউল করিম রিবন, ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক একেএম তৌরাত হোসেন পাইলট, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শহিদুল ইসলাম, নৌকা বাইচ উদযাপন কমিটির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ সজীব প্রাং, বালিয়াদিঘী ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি উজ্জ্বল হোসেন, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক নোমান বাবু, মহিলাদল নেত্রী নাজমা বেগম, মাজেদা ইয়াসমিন টুনি, লিপি আক্তার আশা, সাবিনা বেগম, শাবানা বেগম, পারুল বেগম।
এরপর চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপ উভয়েই বিজয়ী নৌকা মালিকের হাতে পুরস্কার হিসেবে (প্রত্যেককে একটি করে গরু) মোট ২টি গরু প্রদান করেন অতিথিবৃন্দ। নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা উপলক্ষে তরুণীহাট চত্বরে একটি মেলার আয়োজন করা হয়। মেলায় লাখ মানুষের সমাগম ঘটে। দুই দিনব্যাপী মেলায় বৃদ্ধ, নারী, পুরুষ, তরুণ, তরুণী ও দর্শনার্থীদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা ঘিরে নদীর দুইপাড়ে লাখো মানুষের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজমান ছিল। ঢোলের তালে তালে মাঝিদের হৈ-হৈ-রব এবং বৈঠার ছন্দে পুরো ইছামতী নদী মুখরিত হয়ে ওঠে। বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা নৌকাগুলোর ছন্দময় গতি ও মাঝিদের নৌকা চালানোর দক্ষতা উপভোগ করেন লাখো দর্শনার্থীগণ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন