প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সোনালী আঁশ আবারও সোনালী স্বপ্নের আলো দেখাতে শুরু করেছে। পাটের সুদিন ফিরে এসেছে। কৃষকরা পাটের বাম্পার ফলন এবং ভালো দামের জন্য খুশি। হাট-বাজারে পাট সর্বোচ্চ দামে বিক্রি হচ্ছে। কৃষকদের আশা, সোনালী আঁশ তাদের ভাগ্য পরিবর্তন করবে।
চাটমোহরসহ চলনবিল অঞ্চলের হাট-বাজারে পাট বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ২০০ টাকা থেকে ৪ হাজার ৪০০ টাকা মণ। গত বছরের সর্বোচ্চ দাম ছিল ৩ হাজার ৬০০ টাকা। চাটমোহরের হাট-বাজারে নতুন পাটের জমজমাট বেচাকেনা চলছে। রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) উপজেলার অমৃতকুন্ডা হাটে পাট বিক্রি হয়েছে ৪৪০০ টাকা মণ দরে।
চাটমোহর উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে এবারে। লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮ হাজার ৯০০ হেক্টর, কিন্তু আবাদ হয়েছে ৮ হাজার ৯৬০ হেক্টর। বিঘাপ্রতি ফলনও ভালো। হাট-বাজারে নতুন পাটের দামও বেশি।
পাটচাষি আব্দুল মতিন প্রাংয়ের সাথে কথা হলে তিনি জানান, “আমন ধান রোপনের টাকার জন্য পাট বিক্রি করতে হচ্ছে। দাম ভালো পেয়েছি। কিছুটা ভেজা থাকায় ৪২০০ টাকা মণ বিক্রি করেছি। অনেক বছর পর পাটের ভালো দাম পেলাম।”
উপজেলার আরেক পাটচাষি এজাবত আলী বলেন, পাটের দাম বেশি হলেও কামলার (কৃষিশ্রমিক) মজুরী দ্বিগুণ হয়ে গেছে। তাও পাওয়া যাচ্ছে না। ৯০০ থেকে ১০০০ টাকা প্রতিদিনের মজুরী। এছাড়া ভরা মৌসুমে পর্যাপ্ত পানি ছিল না।
চাটমোহর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কুন্তলা ঘোষ জানান, পাটে জাগ দেওয়ার জন্য পানির সংকট কিছুটা ছিল। তবে পাটের ভালো ফলন ও দাম হওয়া নিয়ে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন