প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাশিয়ায় ড্রোন হামলায় জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার এক যুবক মাফল নিহত হওয়ার খবর জানা গেছে।
রোববার (১৪ জুন) তার মৃত্যুর খবর পরিবারের কাছে পৌঁছায়।
মাফলের বাড়ি মাদারগঞ্জ উপজেলার ২ নম্বর কড়ইচড়া ইউনিয়নের চর গুজামানিকা গ্রামে, তিনি বানু মিয়ার ছেলে।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাফল এক মাস ১২ দিন আগে রাশিয়ায় গিয়েছিলেন। ২৯ মে তার পর থেকে পরিবারের কোনো যোগাযোগ ছিল না। দীর্ঘ সময় ধরে তার খোঁজ না পাওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা তার মৃত্যুর খবর জানতে পারেন। আত্মীয়দের দাবি, তিনি রাশিয়ায় ড্রোন হামলায় মারা গেছেন।
পরিবারের সদস্যরা বলছেন, রাশিয়ায় যাওয়ার পর মাফল একাধিকবার ফোনে জানিয়েছিলেন যে, তাকে যে কাজের জন্য নেয়া হয়েছিল, সেই কাজ দেয়া হয়নি। বরং তাকে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়েছে। এই সময়ে তিনি পরিবারের সদস্যদের কাছে দোয়া চেয়েছিলেন।
নিহতের চাচা আনিস জানান, আমার ভাতিজা জীবিকার তাগিদে দেড় মাস আগে রাশিয়ায় গিয়েছিল। তাকে একটি এজেন্সির মাধ্যমে সেখানে রাজমিস্ত্রির কাজ করার কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু তাকে রুশ সেনাবাহিনীর কাছে দেয়া হয়েছে এবং সেখান থেকে যুদ্ধের জন্য পাঠানো হয়। সেই যুদ্ধক্ষেত্রে ড্রোন হামলায় তার মৃত্যু ঘটে।
মাফলের ভাই আশরাফুল ইসলাম বললেন, সে এক মাস ১২ দিন আগে রাশিয়ায় গিয়েছিল এবং ড্রোন হামলায় মারা গেছে। আমরা সরকারের কাছে তার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানাচ্ছি।
মাফলের বোন আছিয়া বলেন, আমার ভাইসহ প্রায় ৩০ জন বাংলাদেশি একসঙ্গে রাশিয়ায় গিয়েছিল। তাদের আর্মি ক্যাম্পে পাঠানো হয়েছে। আমার ভাই অনেক অনুরোধ করেছিল, কিন্তু কেউ তার কথা শোনেনি। এখন আমাদের একটাই দাবি, সরকার যেন তার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনেন।
মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমন চৌধুরী বলেন, আমি রাশিয়ায় মৃত্যুর খবর শুনেছি। পরিবারের সাথে যোগাযোগ করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন