প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক। এই আন্দোলনের মূল চেতনা ছিল বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা।
তিনি উল্লেখ করেন যে, শহীদদের আত্মত্যাগের যথার্থ মর্যাদা দিতে হলে গণতন্ত্র, আইনের শাসন, মানবাধিকার, সামাজিক ন্যায়বিচার, প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা এবং দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন নিশ্চিত করা আবশ্যক। দেশের জন্য রাজনৈতিক সহনশীলতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং মানবিক মূল্যবোধের চর্চার মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ, ন্যায়ভিত্তিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে।
সোমবার সকাল বেলা বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের গাজীপুরস্থ কেন্দ্রীয় সম্মেলন কেন্দ্রে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও নতুন বাংলাদেশের অঙ্গীকার’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বাউবির প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) টিএম আহমেদ হুসেইনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় মুখ্য আলোচক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান।
উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাউবির প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আনিসুর রহমান এবং ট্রেজারার অধ্যাপক ড. শেখ রফিকুল ইসলাম।
আলোচনা সভায় সামাজিক বিজ্ঞান, মানবিক ও ভাষা স্কুলের ডিন অধ্যাপক তানভীর আহসান, কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন স্কুলের অধ্যাপক ড. মো. আবু তালেব, প্রকাশনা, মুদ্রণ ও বিতরণ বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ আলী এবং বাউবির আইনের শিক্ষার্থী ‘জুলাই যোদ্ধা’ মোদাচ্ছির হোসেন বক্তব্য রাখেন।
এর আগে সকালে জুলাই কর্মসূচির অংশ হিসেবে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান গত সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের গাজীপুর ক্যাম্পাসের জুলাই জাগরণী স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করার কার্যক্রম পরিচালনা করেন। সেই সময় শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
এছাড়া শহীদদের স্মরণে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় কনফারেন্স হলসংলগ্ন নির্ধারিত স্থানে দিনব্যাপী জুলাই গণআন্দোলন-২০২৪ এর তাৎপর্য তুলে ধরে গ্রাফিতি, ফেস্টুন, প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছিল। প্রদর্শনীতে প্রায় ১৫টি গ্রাফিতি এবং ৪০টি প্ল্যাকার্ড স্থান পায়।
পরে উপাচার্য সেই প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন, সংশ্লিষ্টদের সাথে মতবিনিময় করেন এবং দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন