প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী মন্তব্য করেছেন, “আমাদের জাতীয় জীবনে বিপ্লব ও সংহতি দিবস একটি অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ দিন। এই দিনটি আধিপত্যবাদী চক্রের সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে আমাদের জাতীয় স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে সিপাহি-জনতা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রাজপথে নেমে এসেছিলেন। ৭ নভেম্বরের চেতনাকে কাজে লাগিয়ে সরকার ও বিরোধী দল একত্রিত হয়ে সংসদকে কার্যকর করে দেশকে গণতন্ত্র ও অর্থনীতিতে সমৃদ্ধশালী করার আহ্বান জানান তিনি।
আজ রোববার (৮ নভেম্বর) বিকেলে সিলেট প্রেসক্লাবের উদ্যোগে আমীনুর রশীদ চৌধুরী মিলনায়তনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। সিসিক প্রশাসক উল্লেখ করেন, ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতা সেনানিবাসের বন্দিদশা থেকে স্বাধীনতার ঘোষক ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীরউত্তমকে মুক্ত করে দেশ পরিচালনার গুরুদায়িত্ব অর্পণ করেন। পরবর্তীতে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশকে অর্থনীতিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে এবং বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থানকে সুদৃঢ় করতে সক্ষম হন।
তিনি আরও বলেন, বিগত ১৭ বছর এই ইতিহাস চাপা পড়ে গিয়েছিল। এখন থেকে এগুলো সামনে নিয়ে আসতে হবে, যাতে নতুন প্রজন্ম উজ্জীবিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি মুকতাবিস উন-নূর এবং সঞ্চালনা করেন সহ সাধারণ সম্পাদক খালেদ আহমদ। বক্তব্য রাখেন ক্লাবের সিনিয়র সহ সভাপতি এম এ হান্নান, সাবেক সহ সভাপতি মোহাম্মদ বদরুদ্দোজা বদর ও আবদুল কাদের তাপাদার, দৈনিক সিলেট মিররের প্রধান সম্পাদক জিয়াউস শামস শাহীন, ক্লাবের কোষাধ্যক্ষ ফয়সাল আমীন, সাবেক কোষাধ্যক্ষ কবীর আহমদ সোহেল, সিনিয়র সদস্য এম এ মতিন, সেলিম আউয়াল, মুহিত চৌধুরী ও সাকিব আহমদ মিটু।
এছাড়া সভায় উপস্থিত ছিলেন ক্লাব সদস্য মো. দুলাল হোসেন, শেখ আব্দুল মজিদ, একে কাওছার, মো. তাজুল ইসলাম, সহযোগী সদস্য এম এ ওয়াহিদ চৌধুরী প্রমুখ। সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন সাবেক সহ সাধারণ সম্পাদক শুয়াইবুল ইসলাম।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন