প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্তকে ইউরোপীয় কমিশন সতর্ক আশাবাদের সঙ্গে স্বাগত জানিয়েছে। কমিশনের মতে, এটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এক বছর আগে হওয়া বাণিজ্য চুক্তির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র ঘোষণা দেয় যে, তারা ইইউ, চীনসহ ৬০টি বাণিজ্য অংশীদারের পণ্যের ওপর ১০ থেকে ১২.৫ শতাংশ পর্যন্ত নতুন শুল্ক আরোপ করছে। ওয়াশিংটনের দাবি হলো, এসব দেশ জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্যের আমদানি ঠেকাতে পর্যাপ্ত পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
তবে ইইউ জানিয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে নতুন শুল্ক আগের ‘মোস্ট ফেভারড নেশন (এমএফএন)’ শুল্কের অতিরিক্ত হিসেবে আরোপ করা হবে না। একই সময়ে, বিমান ও এর যন্ত্রাংশ, জেনেরিক ওষুধ, ওষুধের কাঁচামাল এবং কর্ক ও হীরাসহ কয়েকটি পণ্যে শুল্ক ছাড়ও বহাল রাখা হয়েছে।
ইউরোপীয় কমিশনের একজন মুখপাত্র বলেছেন, এই সিদ্ধান্তটি ইইউ-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ ঘোষণায় থাকা শুল্ক-সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, এর ফলে ভবিষ্যতে আরো শুল্ক ছাড় এবং দুই পক্ষের মধ্যে বাণিজ্য সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে।
তিনি আরো বলেন, গত বছর স্কটল্যান্ডে স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তির শর্ত যুক্তরাষ্ট্র মেনে চলবে বলে ইইউ আশাবাদী। ওই চুক্তির অনুযায়ী, ইইউ মার্কিন শিল্পপণ্যের ওপর আমদানি শুল্ক তুলে নিতে সম্মত হয়েছিল। আর যুক্তরাষ্ট্র ইইউর বেশিরভাগ পণ্যের ওপর ১৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিল।
ইউরোপীয় কমিশনের ভাষ্য হচ্ছে, উভয় পক্ষের বাজারে স্থিতিশীলতা ও ব্যবসায়িক পূর্বাভাস নিশ্চিত করতে এই চুক্তির বাস্তবায়ন অব্যাহত রাখা অত্যন্ত জরুরি। অপরদিকে, জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্য আমদানি ঠেকাতে যথেষ্ট ব্যবস্থা না নেয়ার যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ ইউরোপীয় ইউনিয়ন আগেই প্রত্যাখ্যান করেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন