বুধবার, ২১শে জানুয়ারী, ২০২৬ ইং
০৯:১০ এম
দেশের বিদ্যুৎ খাতে সংকট ক্রমেই সত্যিই গভীর হচ্ছে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর বিল থেকে পূর্বনির্ধারিত জরিমানা (লিকুইডেটেড ড্যামেজ বা এলডি) কর্তন, বিদ্যুৎ বিতরণ নিয়ে চলমান সালিশি প্রক্রিয়া থাকা সত্ত্বেও বিইআরসির নির্দেশনা অমান্য করা হচ্ছে। দেশি ও বিদেশি বিদ্যুৎ উৎপাদকদের মধ্যে বৈষম্যমূলক আচরণ এবং বকেয়া বিলসহ এসব বিষয় খাতটির স্থিতিশীলতা ও বিনিয়োগের প্রতি আস্থাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
বিষয়টি মোকাবেলায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ইঙ্গিত করছেন যে, এই সংকট মাত্র কয়েকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আর্থিক সমস্যার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এর প্রভাব ব্যাংকিং খাত, জ্বালানি আমদানি সক্ষমতা এবং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ পরিবেশের উপরও পড়ছে। সূত্রের খবর, প্রায় ৩০টি ফার্নেস অয়েলভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বিইআরসিতে সালিশ আবেদন করেছে। চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি বিইআরসি উভয় পক্ষকে আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ সমাধানের নির্দেশ দেয়। তবে বিপিডিবি একাধিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাওনা বিল থেকে জরিমানা কর্তন করেছে, যা ভারী অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করেছে।
রমজান ও সেচ মৌসুমের আগে বিদ্যুৎ নিয়ে উদ্বেগ ক্রমশ বেড়ে যাচ্ছে। প্রতিবারের মত, এ সময়টিতে বিদ্যুতের চাহিদা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় ৫ থেকে ৬ হাজার মেগাওয়াট বাড়ে। দেশের বিদ্যুতের বর্তমান চাহিদা ১০ থেকে ১১ হাজার মেগাওয়াট রয়েছে এবং গ্রীষ্মকালে চাহিদা ১৮ হাজার মেগাওয়াটে উঠে যেতে পারে। অথচ বিদ্যুৎ উৎপাদনের সর্বোচ্চ লক্ষ্য মাত্রা রাখা হয়েছে ১৭ হাজার মেগাওয়াট।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ইনডিপেনডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডেভিড হাসানাত মন্তব্য করে বলেন, 'রমজান ও গ্রীষ্মকালে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ায়। বকেয়া বিল পরিশোধ না হলে বিদ্যুৎ উৎপাদন মারাত্মকভাবে আক্রান্ত হবে।'
তিনি অভিযোগ করেন, বিপিডিবি বেসরকারি খাতের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর ক্ষেত্রে ভিন্ন নীতি অনুসরণ করছে। বিশেষ করে দেশি এবং বিদেশি বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর সাথে অসম আচরণ হচ্ছে। এর ফলে, বেসরকারি বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগের প্রতি আস্থা কমছে এবং এতে জাতীয় বিদ্যুতের সরবরাহ ও জ্বালানি নিরাপত্তার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। ভাইস চেয়ারম্যানের বক্তব্য অনুযায়ী, বৈষম্যমূলক আচরণের কারণে দেশের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর পরিচালনা বজায় রাখাটা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলতি বছর হজের উদ্দেশ্যে ৭৬ হাজার ৫৮০ জন বাংলাদেশি নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন। এ বছর বাংলাদেশের জন্য মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জনকে হজ পালনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নিবন্ধিত ৭৬ হাজার ৫৮০ জনের মধ্যে ৭২ হাজার ৩৪৪ জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এবং ৪ হাজার ২৬০ জন সরকারি ব্যবস্থাপনার আওতায় ২০২৬ সালে হজ পালনের জন্য নিবন্ধন করেছেন।
ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মো. আবুবকর সিদ্দীক বলেন, সাধারণ হজযাত্রীদের সাথে মেডিকেল টিম, হজ গাইড, প্রশাসনিক ও কারিগরি দলও সৌদি আরবে যাবেন যাতে তারা হজযাত্রীদের সহযোগিতা করতে পারেন। মন্ত্রণালয় তাদের তালিকা সৌদি কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের জন্য পাঠিয়েছে।
সৌদি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের হজযাত্রীদের চূড়ান্ত নিবন্ধন সম্পন্ন করার শেষ সময় ছিল ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর এবং নিবন্ধন শুরু হয়েছিল ২৭ জুলাই।
হজ এজেন্সি এবং এয়ারলাইনসগুলোকে হজ ব্যবস্থাপনায় সকল নিদের্শনা কঠোরভাবে অনুসরণ করার নির্দেশনা দিয়েছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। ২০২৬ সালের হজযাত্রীদের ফ্লাইট আগামী ১৮ এপ্রিল শুরু হবে। সৌদি সরকার সকল হজযাত্রীদের জন্য মেডিকেল ফিটনেস বাধ্যতামূলক করেছে।
এক মন্ত্রণালয় কর্মকর্তা মন্তব্য করেছেন, হজযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান হলো স্বাস্থ্য সচেতন থাকা এবং শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকা। সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা মোকাবিলার জন্য হজযাত্রীদের যথাযথ প্রস্তুত থাকতে হবে।
হজযাত্রীরা ই-হজ সিস্টেম, লাব্বাইক মোবাইল অ্যাপ, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার, ইসলামী ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় ও জেলা অফিস এবং বায়তুল মুকাররম হজ অফিস ও আশকোনা হজ অফিসের মাধ্যমে নিবন্ধন করেছেন।
বাংলাদেশি হজযাত্রী বহনের জন্য বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, সৌদিয়া এয়ারলাইন্স এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স এই দায়িত্ব পালন করবে।
নির্দেশনার অনুযায়ী, এজেন্সিগুলোকে প্রি-হজ ফ্লাইটের মধ্যবর্তী সময়ে ২০ শতাংশ হজযাত্রী পাঠাতে হবে এবং অন্যদের প্রথম ও শেষ পর্যায় থেকে পাঠানো হবে।
মন্ত্রণালয় স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, কোনো এজেন্সি প্রি-হজ ফ্লাইটের প্রথম বা শেষ পর্যায়ের হজ ফ্লাইটে ৩০ শতাংশের কম এবং ৫০ শতাংশের বেশি টিকিট ইস্যু করতে পারবে না। সকলকে নির্দেশনার বিষয়ে টিকিট ইস্যু এবং ফ্লাইট পরিচালনায় সঠিকভাবে কার্যক্রম নিশ্চিত করার আবেদন জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাষ্ট্র পরিচালনায় কাঠামোগত সংস্কারের অংশ হিসেবে বিএনপি ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং জনজীবনের মৌলিক সংকট মোকাবিলা করার জন্য আটটি খাতভিত্তিক পরিকল্পনা তৈরি করেছে। এই পরিকল্পনাগুলি অন্তর্ভুক্ত করে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও দক্ষতা, ক্রীড়া, পরিবেশ ও জলবায়ু সহনশীলতা, এবং ধর্মীয় নেতাদের মর্যাদা ও কল্যাণ।
মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর একটি হোটেলে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও উন্নয়ন সহযোগীদের সামনে বিএনপির এই পরিকল্পনা উপস্থাপিত হয়। ‘বিএনপি পলিসি ডিসসিমিনেশন অন প্রায়োরিটি সোশ্যাল পলিসিস’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বিএনপি জানিয়েছে যে, অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দূতাবাসের মোট ৩০ জন প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন। তাদের মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার এবং যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত, পাকিস্তান, রাশিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ইরান ও বাহরাইনের প্রতিনিধিরা।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা জিয়াউদ্দিন হায়দার। প্রবন্ধে উল্লেখ করা হয় যে, রাষ্ট্র মেরামতে বিএনপি যে ৩১ দফার কর্মসূচি ঘোষণা করেছে, তার মধ্যেই তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির ‘দ্য প্ল্যান’ সাধারণ মানুষের জীবনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত এই আটটি সামাজিক অগ্রাধিকার নির্ধারণ করেছে, যা ভিন্ন ধরনের রাজনীতির প্রতিফলন।
ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পের আওতায় প্রতি পরিবারকে মাসে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা নগদ সহায়তা অথবা নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। কার্ডটি একটি প্রাপ্তবয়স্ক নারীর নামে থাকবে। কৃষকদের জন্য প্রস্তাবিত কৃষক কার্ডের মাধ্যমে সার, বীজ ও কীটনাশকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা হবে। এর সঙ্গে প্রণোদনা, সহজ শর্তে ঋণ এবং বিমাসুবিধা থাকবে। জলবায়ু ঝুঁকি, রোগবালাই ও বাজার অস্থিরতা মোকাবিলায় ফসল ও পশুপালন বিমাও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
স্বাস্থ্য খাতে বিএনপি এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যেখানে ৮০ শতাংশ নারী হবেন। তারা সাধারণ রোগ সম্পর্কে ধারণা নেবেন এবং নাগরিকদের ঘরে ঘরে প্রতিরোধমূলক ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। বিনা মূল্যে ওষুধ, উন্নত চিকিৎসা, প্রসূতি সেবা সম্প্রসারণ এবং মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষা খাতে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ পাঠ্যক্রম এবং কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা রয়েছে। কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিনামূল্যে ইন্টারনেট এবং স্বল্পমেয়াদি প্রশিক্ষণের প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে।
ক্রীড়া খাতে খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা, বিদ্যালয়ে ক্রীড়া শিক্ষা বাধ্যতামূলক, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর মাধ্যমে বৃত্তি বিতরণ এবং ইনডোর সুবিধাসহ স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।
পরিবেশ সংক্রান্ত উদ্যোগে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল খনন, ২৫ কোটি গাছ রোপণ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ধর্মীয় নেতাদের কল্যাণে মাসিক সম্মানী, উৎসব ভাতা এবং ধর্মীয় শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আজকের চ্যালেঞ্জগুলো বহুমাত্রিক’। বিএনপি ইতিমধ্যে এমন নীতিমালা তৈরি করেছে যা ভেঙে পড়া অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে সাহায্য করবে। এই নীতিগুলো আগামীতে টেকসই উন্নয়নের পথ তৈরি করবে এবং নিম্ন আয়ের জনগণের জন্য নতুন আশার সূচনা করবে। তিনি আরও বলেন, ‘অর্থনীতি হবে অন্তর্ভুক্তিমূলক, অংশগ্রহণমূলক ও বিস্তৃত।’
বিএনপি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির ভিত্তিতে একটি সমাজ গড়তে প্রতিশ্রুতি প্রদান করেছে, যেখানে সংসদ হবে সব সিদ্ধান্ত গ্রহণের কেন্দ্রবিন্দু। সূচনা বক্তব্য দেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ূন কবির। আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির বিভিন্ন পদস্থ নেতৃবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা সেভ দ্য চিলড্রেন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এই প্রতিষ্ঠানটি নিউ বিজসেন ডেভেলপমেন্ট বিভাগের জন্য কর্মী নিয়োগ দিচ্ছে। আগ্রহী প্রার্থী অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।
পদের নাম ও সংখ্যা: ১টি ম্যানেজার।
আবেদনের যোগ্যতা: প্রার্থীর স্নাতকোত্তর বা সমমানের ডিগ্রি থাকা আবশ্যক। তার পাশাপাশি ৫ বছর অভিজ্ঞতা দরকার। নারী-পুরুষ উভয়ই আবেদন করার সুযোগ পাবেন। বয়সসীমা নিয়ে নির্দিষ্ট কোনো বিধিনিষেধ নেই। কর্মস্থল ঢাকায় হবে।
বেতন এবং অন্যান্য সুবিধা: মাসিক বেতন আলোচনা সাপেক্ষে নির্ধারিত হবে। এছাড়া সংস্থার নীতিমালার ভিত্তিতে নানান সুবিধাও প্রদান করা হবে।
আবেদনের পদ্ধতি: আগ্রহীরা অনলাইনে আবেদন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন।
আবেদনের শেষ তারিখ: আগামী ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত আবেদন করতে পারবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাজারে চরম নৈরাজ্যের পরে অবশেষে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। চলতি মাসে ১২টি প্রতিষ্ঠান ১ লাখ ৬৭ হাজার মেট্রিক টন গ্যাস আমদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে এবং আগামী মাসে তারা ১ লাখ ৮৪ হাজার মেট্রিক টন এলপি গ্যাস আমদানির পরিকল্পনা করছে। মোট দুই মাসে দেশে আসবে সাড়ে তিন লাখ মেট্রিক টন এলপিজি। আশা করা হচ্ছে, রমজানের আগে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে।
দেশের ১২ কেজি সিলিন্ডারের গ্যাসের নির্ধারিত দাম ১৩০৬ টাকা, অথচ বিক্রি হচ্ছে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকায়। তাছাড়া, বিভিন্ন দোকানে এলপি গ্যাসের অভাব দেখা দিয়েছে। গত মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে বাজারে নজিরবিহীন নৈরাজ্য চলছে। এই পরিস্থিতির কারণে রান্নাবান্না এবং যানবাহনসহ সবখাতের ভোক্তারা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
জরুরি পরিস্থিতি সামাল দিতে এলপিজি আমদানিতে ঋণ সুবিধা বাড়ানো, ভ্যাট-ট্যাক্স কমানো এবং রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বিপিসিকে আমদানির অনুমতি প্রদানসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এলপি গ্যাস আমদানিকারকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জ্বালানি উপদেষ্টা। নীতিগত কিছু সিদ্ধান্তের ফলে এলপিজি আমদানিতে গতি আসছে।
আমদানিকারকদের আশ্বাস,এরূপ অবস্থায় চলতি মাসে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন এলপিজি আমদানির সক্ষমতা রয়েছে ১২টি প্রতিষ্ঠানের। আর আগামী মাসের আমদানির লক্ষ্য ১ লাখ ৮৪ হাজার মেট্রিক টন, যা সর্বোচ্চ চাহিদার তুলনায় ৩৪ হাজার মেট্রিক টন বেশি।
এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (লোয়াব) সহ-সভাপতি হুমায়ুন রশীদ জানিয়েছেন, লোয়াবের সব সদস্য সক্রিয়ভাবে কাজ করছে এবং কিছু জাহাজ ইতিমধ্যে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বাংলাদেশের প্রাইভেট সেক্টর এলপিজির স্বল্পতা চান না এবং শিগগিরই সরবরাহ নিখুঁত ও নিরবচ্ছিন্ন হবে।
জ্বালানি উপদেষ্টার প্রত্যাশা, এলপিজি আমদানির কারণে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং রমজানের আগেই সংকট কাটবে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান জানান, আমদানিকারকরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে তারা এলপিজি সরবরাহ করবে এবং বলছেন রোজার আগে সরবরাহ স্বাভাবিক হবে। আশা করা হচ্ছে, ধীরে ধীরে সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে উঠবে।
বর্তমানে এলপি গ্যাসের মাসিক চাহিদা ১ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন থেকে দেড় লাখ মেট্রিক টনের মধ্যে আছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ