প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রচারিত নাটকগুলোর মধ্যে ‘মায়া পাখি’ দর্শকমহলে ব্যাপক আলোচনায় এসেছে। নাটকটির গল্প, নির্মাণশৈলী এবং অভিনয় প্রশংসিত হলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এর কিছু বিষয় নিয়ে কিছু সমালোচনাও দেখা গেছে। বিশেষ করে, নেটিজেনদের একটি অংশ নাটকে কর্মজীবী নারীদের নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন।
এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্র ‘মায়া’-এর অভিনেত্রী নাজনীন নীহা। তিনি বলেছেন, নাটকে যে ঘটনাগুলো উপস্থাপন করা হয়েছে, সেগুলোর বাস্তব ভিত্তি রয়েছে এবং গল্পের জন্য সেগুলো তুলে ধরা হয়েছে।
নীহা জানিয়েছেন, বাস্তব সমাজে এমন অনেক ঘটনা ঘটে এবং সেই বাস্তবতাকেই নাটকের গল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তার মতে, নাটকে অবাস্তব বা অপ্রাসঙ্গিক কিছু দেখানো হয়নি। বরং, এতে দর্শকদের জন্য একটি শিক্ষণীয় বার্তাও রয়েছে। কারণ, খারাপ কাজের পরিণতি কখনো ভালো হয় না—এটি নাটকটি দেখলে দর্শকরা বুঝতে পারবেন।
নাটকটির ইতিবাচক সাড়ার বিষয়েও আলোকপাত করেছেন এই অভিনেত্রী। তিনি জানিয়েছেন, সহশিল্পী জিয়াউল ফারুক অপূর্ব এবং নির্মাতা জাকারিয়া সৌখিনের সহযোগিতার কারণেই কাজটি সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা সম্ভব হয়েছে। নীহা তার ভাষায় বলেন, অভিনয়ের বিভিন্ন দিক নিয়ে তারা তাকে নিয়মিত নির্দেশনা দিয়েছেন এবং তিনি নিজের জায়গা থেকে সর্বদা সর্বাধিক চেষ্টা করেছেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, তিনি এখনও নিজেকে নতুন শিল্পী মনে করেন এবং শেখার প্রক্রিয়ার মধ্যেই আছেন। দর্শকদের ভালোবাসা এবং ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া তাকে আরও ভালো কাজের জন্য অনুপ্রাণিত করছে।
উল্লেখ্য, জাকারিয়া সৌখিন পরিচালিত নাটক ‘মায়া পাখি’-তে নাজনীন নীহার বিপরীতে জিয়াউল ফারুক অপূর্ব অভিনয় করেছেন। নাটকটির গল্প ও ভাবনাও অপূর্বর। প্রকাশের পর নাটকটি ইউটিউবে ব্যাপক দর্শকপ্রিয়তা লাভ করেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন