প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলা মর্নেয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মীর কাসেম মিঠুকে মারধর এবং দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ স্থানীয় বিড়ি ব্যবসায়ী রমজান আলী জিকুর বিরুদ্ধে উঠেছে। বিএনপি নেতাদের দাবি, এই ঘটনায় মিঠুসহ তিনজন আহত হয়েছেন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে জিকু বলেছেন, ঘটনার আধা ঘণ্টা আগে মিঠুর লোকজনই তাঁকে মারধর করেছেন।
জিকু তাঁর দাবি করেছেন যে বিএনপি কার্যালয়ে হামলা বা ভাঙচুরের সঙ্গে তিনি জড়িত নন। বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত নয়টার দিকে উপজেলার শেখপাড়া বাজারে মর্নেয়া ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে।
বিএনপি নেতাদের অভিযোগ অনুযায়ী, হামলায় মীর কাসেম মিঠু, ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসাদসহ তিনজন আহত হন। হামলার সময় কার্যালয়ের চেয়ার এবং বেগম খালেদা জিয়া, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি ভাঙচুর করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের অ্যাম্বুলেন্সে করে গঙ্গাচড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়।
মীর কাসেম মিঠু জানিয়েছেন, পার্শ্ববর্তী এলাকার একটি তালাকের বিষয় মীমাংসার জন্য তিনি দলীয় কার্যালয়ে বসেছিলেন। তাঁর সঙ্গে আরও চারজন ছিলেন এবং মীমাংসাসংক্রান্ত ১০ লাখ টাকাও তাঁর কাছে ছিল। এ সময় কয়েকটি মোটরসাইকেলে করে জিকুসহ ১৫ থেকে ২০ জন সেখানে এসে তাঁর শার্টের কলার ধরেন। তখন তাঁর সঙ্গে থাকা চারজন পালিয়ে যান। এরপর তাঁকে মারধর করা হয় এবং কার্যালয়ের চেয়ার ও নেতাদের ছবি ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
মিঠুর দাবি, হামলায় জড়িত ব্যক্তিরা মাদক কারবারের সঙ্গে যুক্ত। তিনি মনে করেন, মাদকবিরোধী আন্দোলনে সম্পৃক্ততা এবং ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বের কারণে তাঁর ওপর হামলা হতে পারে।
অন্যদিকে, রমজান আলী জিকু অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ঘটনার প্রায় আধা ঘণ্টা আগে পার্শ্ববর্তী গজঘণ্টা বাজারের একটি চায়ের দোকানে বসে থাকা অবস্থায় তাঁকে মারধর করা হয়। সেখানে উপস্থিত অনেকেই ঘটনার সাক্ষী বলে দাবি করেন তিনি।
জিকুর অভিযোগ, মিঠুর ঘনিষ্ঠ স্টার আকিজ বিড়ির মালিক আব্দুল মাবুদ সরকার ও দুলাল মেম্বারকে দিয়ে তাঁকে মারধর করানো হয়। পরে শেখপাড়া বাজারে গিয়ে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে মিঠুকে দেখতে পান তিনি। সেখানে দুজনের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হয় বলে দাবি করেন জিকু।
দলীয় কার্যালয়ে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে জিকু বলেন, ‘আমি বিএনপি কার্যালয়ে কোনো হামলা করিনি। তার (মিঠুর) ছেলেরাই এসব ভাঙচুর করেছে।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন