প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক (গ্রেড-১) মুফতি মুহাম্মদ মুহিববুল্লাহ হিল বাকী নদভী মন্তব্য করেছেন যে, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে হাম-রুবেলা প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং টিকাদান কর্মসূচিকে শতভাগ সফল করা সম্ভব।
তিনি বুধবার (৭ অক্টোবর) কক্সবাজারে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। সকাল ১০টায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের মিলনায়তনে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ এবং মাঠ পর্যায়ের কেন্দ্র শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সমন্বয়ে কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে কর্মশালাটি সঞ্চালনা করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ফিল্ড সুপারভাইজার সাইফুদ্দিন খালেদ।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন কক্সবাজারের উপপরিচালক মুহাম্মদ সরওয়ার আকবর। ইউনিসেফের প্রতিনিধি সোহাইল আহমদ ও এডভোকেসি স্পেশালিস্ট হাওয়া হাসানও বক্তব্য দেন। হাম-রুবেলা প্রতিরোধ ও টিকাদান কার্যক্রমের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন কক্সবাজারের ইপিআই সুপারিনটেনডেন্ট সাইফুল হক।
বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমির পরিচালক সরকার সারোয়ার আলম এবং কক্সবাজারের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ছাবের। কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য ছিল হাম ও রুবেলার মতো সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দকে প্রয়োজনীয় তথ্য এবং সচেতনতামূলক বার্তা প্রদান করা। পাশাপাশি মসজিদ, মাদ্রাসা ও বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে টিকাদান ও স্বাস্থ্যসচেতনতার বার্তা পৌঁছে দেওয়া।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল মান্নান বলেন, হাম-রুবেলা ও ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় জন সচেতনতা সৃষ্টিতে ধর্মীয় নেতাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তিনি এসব রোগ প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি জুমার নামাজের প্রাক-খুতবায় নিয়মিত মাদক, বাল্যবিবাহ, শিশুশ্রম, মানবপাচার, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নির্মূলে জনসচেতনতামূলক বক্তব্য দেওয়ার জন্য ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানান।
বক্তারা বলেন, সমাজে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের ব্যাপক প্রভাব ও গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। এ প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে মসজিদ-মাদ্রাসাসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে হাম-রুবেলা প্রতিরোধ, টিকাদানের প্রয়োজনীয়তা এবং স্বাস্থ্যসচেতনতার বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া গেলে টিকাদান কর্মসূচিতে জনগণের অংশগ্রহণ আরও বাড়ানো সম্ভব।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন