প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দক্ষিণ সুদানের সীমান্তের কাছে পশ্চিম ইথিওপিয়ার গাম্বেলা অঞ্চলে সংঘর্ষের ফলে অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং বহু লোক আহত হয়েছে। এই তথ্যটি আন্তর্জাতিক চিকিৎসা সহায়তা সংস্থা ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস (এমএসএফ) প্রকাশ করেছে।
এমএসএফ জানিয়েছে, ১৮ সেপ্টেম্বর ইতাং স্পেশাল ওরেডায় সংঘর্ষের পর আহতদের চিকিৎসার জন্য গাম্বেলার কুলে অবস্থিত স্বাস্থ্যকেন্দ্রে তাদের চিকিৎসক ও কর্মীরা কাজ করছেন।
সংস্থাটি উল্লেখ করেছে, শুক্রবারের সহিংসতার পর মোট ৮৮ জন রোগীকে চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে। তাদের মধ্যে আটজন হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মারা যান। হাসপাতালে পৌঁছানোর পরে আরো চারজনের মৃত্যু হয়। এমএসএফের ইথিওপিয়া অপারেশন্স ম্যানেজার গুল বাদশাহ সংঘর্ষে জড়িত সকল পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি একইসাথে বেসামরিক নাগরিকদের আরও সহিংসতা থেকে রক্ষা করার জন্যও আহ্বান জানান। তবে এই সহিংসতার জন্য দায়ী পক্ষগুলো সম্পর্কে এখনও কোনো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।
গাম্বেলা অঞ্চলে প্রায়শই আন্তঃসাম্প্রদায়িক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই অঞ্চলে চার লাখেরও বেশি শরণার্থী বসবাস করছেন, যাদের অধিকাংশই প্রতিবেশী দক্ষিণ সুদানের নাগরিক। তারা দেশটিতে চলমান সহিংসতা থেকে পালিয়ে ইথিওপিয়ায় আশ্রয় নিয়েছেন।
২০২৫ সালের রিফ্ট ভ্যালি ইনস্টিটিউটের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, অর্থনৈতিক সম্পদ নিয়ে প্রতিযোগিতা এবং শরণার্থীদের আগমন গাম্বেলায় সংঘাত বৃদ্ধির প্রধান কারণগুলোর মধ্যে একটি। এদিকে, ইথিওপিয়ার সবচেয়ে জনবহুল দুটি অঞ্চল ওরোমিয়া ও আমহারাতেও দীর্ঘদিন ধরে সশস্ত্র সংঘাত চলছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন