প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের একটি স্থানে একই সময়ে দুটি আলাদা ট্রেনের বিপত্তির ঘটনায় ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে ট্রেন চলাচল প্রায় দেড় ঘণ্টা বন্ধ ছিল। সোনার বাংলা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়ে এবং মেঘনা এক্সপ্রেসের একটি বগি লাইনচ্যুত হওয়ায় এই বিপর্যয়ের সৃষ্টির ঘটনা ঘটে। তবে দীর্ঘ দেড় ঘণ্টা চেষ্টা চালানোর পর আপ লাইনটি সচল করা সম্ভব হয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) রাত আটটার দিকে উপজেলার হাসানপুর ও গুণবতী স্টেশনের মাঝখানের এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন লাকসাম জংশনের স্টেশন মাস্টার ওমর ফারুক ভূঁইয়া।
রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী সোনার বাংলা এক্সপ্রেস গাড়িটি গুণবতী স্টেশন অতিক্রম করা মাত্র হাসানপুর স্টেশনের কাছে পৌঁছালে তার ইঞ্জিন বিকল হয়ে আপ লাইনে আটকে পড়ে। একই সময়ে, চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা মেঘনা এক্সপ্রেস যখন চাঁদপুরগামী ডাউন লাইন দিয়ে যাচ্ছিল, তখন এর পেছনের ‘গার্ড ব্রেক’ বগিটি লাইনচ্যুত হয়ে যায়।
আপ ও ডাউন উভয় লাইনে একসাথে ট্রেন আটকে যাবার কারণে দেশের এই প্রধান রেলপথে ট্রেন চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এই ঘটনায় মধ্যপথে বিভিন্ন স্টেশনে আটকে পড়া হাজারো যাত্রী চরম ভোগান্তিতে পড়েন।
খবর পাওয়ার পর রেলওয়ের উদ্ধারকারী দল (রিলিফ ট্রেন) ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধারকাজ শুরু করে। রাত সাড়ে ৯টার দিকে বিকল হয়ে পড়া সোনার বাংলা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিনটিকে সরিয়ে গুণবতী স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হয়। আংশিকভাবে এতে ট্রেন চলাচল প্রায় দেড় ঘণ্টা পর এই রেলপথের আপ লাইনে স্বাভাবিক হতে পারে।
স্টেশন মাস্টার ওমর ফারুক বলেন, মেঘনা এক্সপ্রেসের লাইনচ্যুত বগিটি উদ্ধার এবং ডাউন লাইন সচলের কাজ এখনও চলমান রয়েছে। উদ্ধারের কাজ শেষ হলে দুই লাইনেই ট্রেন চলাচল পূর্ণরূপে স্বাভাবিক হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন