প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কুমিল্লা নগরীর একটি ভবন থেকে মো. কিরণ মিয়া (৪০) নামে এক রংমিস্ত্রির রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মরদেহটি কুমিল্লা হাউসিং এস্টেটের ১ নম্বর সেকশনের জনতা ব্যাংক নামে পরিচিত ভবনের ক্যাপসুল লিফটের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকালে কিরণ মিয়ার কপাল ও পায়ে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
নিহত কিরণ মিয়া কুমিল্লা নগরীর দ্বিতীয় মুরাদপুর এলাকার সুন্দর আলীর ছেলে। পরিবারের সদস্যদের বরাতে পুলিশ জানায়, সোমবার সকালে কিরণ মিয়া ওই ভবনে রঙের কাজ করতে যান। এরপর তিনি আর বাড়িতে ফেরেননি। পরিবারের সদস্যরা তাকে খোঁজার জন্য বিভিন্ন স্থানে যান। পরে সন্ধ্যার দিকে কুমিল্লা সদর উপজেলা পরিষদের সামনে কেটিসিসির বিপরীতে অবস্থিত ওই ভবনে তাকে খোঁজা শুরু হয়। একপর্যায়ে ভবনের লিফট মেকানিক রেটজিটেক লিমিটেডের কর্মচারী রাজু লিফট খুললে নিচে কিরণ মিয়ার রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
রেটজিটেক লিমিটেডের কর্মচারী রাজু জানান, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার পর তিনি ঘটনাস্থলে যান। তখন ভবনের লোকজন কিরণ মিয়াকে খুঁজছিলেন। লিফটের ভেতরে কেউ আছেন কি না, সেটিও দেখার চেষ্টা করা হচ্ছিল। পরে লিফট খুললে নিচে মরদেহটি পাওয়া যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা মকবুল বলেন, লিফটটি জেনারেটরের মাধ্যমে চলছিল। একটি সময়ে লিফটটি বন্ধ হয়ে যায়। তবে কিরণ মিয়া কিভাবে লিফটের নিচে গেল এবং লিফটটি কিভাবে বন্ধ হলো, তা প্রশাসনের তদন্ত করে বের করা উচিত।
ভবনের মালিক খোরশেদ আলম বলেন, ‘আমরা সারা দিন খুঁজেও তাকে পাইনি। পরে ধারণা করি, তিনি হয়তো এখানে থাকতে পারেন। এরপর লিফটের নিচে খোঁজ করে মরদেহ পাওয়া যায়।’
এ বিষয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, ভবনের বাসিন্দা ও পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। সিসিটিভির ফুটেজও দেখা হচ্ছে। মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন