প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু মন্তব্য করেছেন যে, ‘পলাতক আওয়ামী ফ্যাসিস্টরা কলকাতায় বসে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। সেখানে বসে গার্মেন্টস শ্রমিকদের দিয়ে আন্দোলন করাচ্ছে। তারাই কারখানায় আগুন দিয়েছে।’
শনিবার ফেনীতে ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় আসে তখন গণতন্ত্র হত্যা করে। গত ১৭ বছর এভাবে আমাদের গণতন্ত্র হত্যা করেছিল। আমাদের শত শত নেতাকর্মীকে জেল-জুলুম ও গুম খুন করেছিল। আমাদের নেতাকর্মীদের বাড়িঘরে থাকতে দেয়নি।’
রেহানা আক্তার রানু বলেন, ‘আজকে আমাদের প্রধানমন্ত্রী জনগণের ভোটের মাধ্যমে দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। এ আগুনের মধ্যে দায়িত্ব নেওয়া যে অর্থনীতি, সে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে সময় লাগবে। কিন্তু যারা ষড়যন্ত্র করছে তারা ষড়যন্ত্র করে লাভ হবে না।’
তিনি উল্লেখ করেন, ‘আজকের দিনে বাংলাদেশ মুক্ত হয়েছিল। ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রকে হত্যা করেছিল। ৭ নভেম্বর সিপাহি জনতার স্রোত অবরুদ্ধ গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে এনেছিল। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এ বাংলাদেশকে আজকের দিনে মুক্ত করেছিলেন। আসুন, আমরা ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক বিপ্লবের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করি।’
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ খালেক ও পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জাসাসের জেলা সভাপতি কাজী ইকবাল আহমেদ পরান।
জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে কালচারাল কর্মকর্তা সুদীপ্তা চক্রবর্তী ও আবৃত্তিকার সৈয়দ আশরাফুল হক আরমানের সঞ্চালনায় এতে আরও বক্তব্য রাখেন ফেনী জেলা জামায়াতের আমির মুফতি আবদুল হান্নান, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী হাবিবউল্লাহ মানিক, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক আবু নাসের চৌধুরী, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব নইম উল্লাহ চৌধুরী বরাত ও জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সালাউদ্দিন মামুন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো আরিফুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) ফাতিমা সুলতানা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ আল আমিন সরকার, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতানা নাসরীন কান্তা ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারীসহ প্রমুখ।
Ñএমএইচ
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন