প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আগামী বছরের হজে অংশগ্রহণকারী অনুমোদিত হজ এজেন্সিগুলোর জন্য ‘হজ মিশন ভিসা’ ইস্যুর উদ্দেশ্যে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় জরুরি নির্দেশনা প্রদান করেছে। রবিবার (১১ অক্টোবর) এর মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য ও ব্যাংক জমার মূল রসিদ দাখিল করতে হবে।
শুক্রবার (০৯ অক্টোবর) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ-১ শাখা থেকে একটি সরকারি নোটিশ জারি করা হয়, যেখানে এই তথ্য জানানো হয়।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৭ সালের হজ কার্যক্রমের জন্য নিবন্ধিত ১০০ জন বা তার বেশি হজযাত্রী রয়েছে এমন ২৬০টি এজেন্সির জন্য ১টি করে মিশন ভিসা প্রদান করা হবে। এছাড়া, নিবন্ধিত হজযাত্রী ১০০ জনের কম হলেও ৮টি লিড এজেন্সি এবং ২টি মোনাজ্জেম এজেন্সিকে ১টি করে মোট ২৭০টি হজ মিশন ভিসা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নির্ধারিত ছকে এজেন্সির নাম, লিড নম্বর, নিবন্ধিত হজযাত্রীর সংখ্যা, এজেন্সির মালিক/মোনাজ্জেম বা প্রতিনিধির নাম, পদবি, পাসপোর্ট নম্বর ও মোবাইল নম্বর পূরণ করতে হবে। আগামীকাল রোববারের মধ্যে নির্ধারিত নম্বরে (01921-467718) হোয়াটসঅ্যাপে সফটকপি এবং এজেন্সির নিজস্ব প্যাডে স্বাক্ষরিত হার্ডকপি দাখিল করতে বলা হয়েছে।
মিশন ভিসা প্রাপ্তির জন্য সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় কর্তৃক নির্ধারিত ভিসা ফি, ইন্স্যুরেন্স ফি, ইলেকট্রনিক সার্ভিস ফি, জমজম পানির ফি, লাগেজ পরিবহন ফি, তাবু ও মাশায়ের সার্ভিস ফিসহ অন্যান্য ফি জমা দিতে হবে। এসব ফি ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অধীন সোনালী ব্যাংকের স্থানীয় কার্যালয় শাখার হিসাব নম্বর ০০২-০০০২৬৩০০০০৯০৮ (Sale Proceeds of Haj Deposit)-এ জমা দিয়ে জমার মূল রসিদ ঢাকার আশকোনাস্থ হজ অফিসে জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বিমান ভাড়াসহ যাতায়াত খরচ এবং সৌদি আরবে থাকা-খাওয়ার যাবতীয় ব্যয়ভার সংশ্লিষ্ট মিশন ভিসাপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা এজেন্সিকে নিজেদেরই বহন করতে হবে।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. মনিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এই নির্দেশনার অনুলিপি হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)-এর সভাপতি ও মহাসচিব, আশকোনা হজ অফিসসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাঠানো হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন