প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আকাশপথে চলাচল করা একটি বিমানের বয়স তিন কিংবা চার দশক পেরিয়ে গেলেও, যাত্রীরা অনেক সময় তা বুঝতে পারেন না। কারণ বিমানের বাইরের কাঠামো পুরোনো থাকলেও, ভেতরের সিট, দেয়ালের সাজসজ্জা এবং বিনোদন ব্যবস্থায় আধুনিক পরিবর্তন আনা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের আমেরিকান এয়ারলাইন্স ও ইউনাইটেড এয়ারলাইন্সের মতো বড় বিমান সংস্থাগুলো, পুরোনো উড়োজাহাজের অভ্যন্তরীণ অংশ নতুন করে সাজাতে কোটি কোটি ডলার বিনিয়োগ করছে। নতুন সিট, উন্নত সাইডওয়াল এবং আধুনিক ইনফ্লাইট বিনোদন ব্যবস্থার মাধ্যমে যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্য বাড়ানোই এর অন্যতম লক্ষ্য।
বিমানগুলোর বয়স অনেক হলেও, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও অভ্যন্তরীণ সংস্কারের কারণে যাত্রীদের কাছে সেগুলো অনেকটা নতুন বলেই মনে হয়। এমনকি ৪৫ বছর পুরোনো বিমানও এখনো বিভিন্ন রুটে নিয়মিত চলাচল করছে।
বোয়িং নিয়ে নিরাপত্তা উদ্বেগ সম্পর্কে বলা হচ্ছে, বিমান চলাচল খাতে পুরোনো মডেলের উড়োজাহাজের পাশাপাশি নতুন মডেল নিয়েও আলোচনা চলছে। ১৯৮২ সালে চালু হওয়া বোয়িং ৭৬৭ দীর্ঘদিন ধরে নির্ভরযোগ্য বিমান হিসেবে পরিচিত। তবে বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্সকে ঘিরে নিরাপত্তা উদ্বেগ এখনো পুরোপুরি কাটেনি।
দুটি প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার পর, মডেলটির নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এর মধ্যেই নতুন করে সিট সংক্রান্ত নিরাপত্তা ইস্যু সামনে এসেছে। মার্কিন ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন জানিয়েছে, ভুলভাবে ইনস্টল করা হয়ে থাকলে, শত শত বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স বিমানের সিট পুনরায় পরীক্ষা ও সংস্কারের প্রয়োজন হতে পারে।
অন্যদিকে, প্রিমিয়াম যাত্রীদের জন্য নির্ধারিত বিমানবন্দর লাউঞ্জগুলো নিয়েও অসন্তোষ বাড়ছে। অতিরিক্ত ভিড় এবং সেবার মান কমে যাওয়ায়, নিয়মিত ভ্রমণকারীদের একটি অংশ এসব লাউঞ্জের প্রতি আগ্রহ হারাচ্ছেন।
সব মিলিয়ে, বিমান ভ্রমণের ক্ষেত্রে শুধু নতুন উড়োজাহাজের ওপর নির্ভর না করে, পুরোনো বিমানকে আধুনিক করে তোলার দিকেও জোর দিচ্ছে বিভিন্ন বিমান সংস্থা। যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্য, বিনোদন এবং অভিজ্ঞতা উন্নত করতেই এই পরিবর্তনকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সূত্র: সিএনএন
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন