প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চট্টগ্রাম, ১০ অক্টোবর, ২০২৬ : চট্টগ্রামের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এ.জি.এম. মনিরুল হাসান সরকার নির্দেশ দিয়েছেন যে, আসামি গ্রেফতারের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির সর্বশেষ সংশোধনীর বিধানকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে অনুসরণ করা হবে।
তিনি উল্লেখ করেছেন, নিরপরাধ ব্যক্তিদের যেন ক্ষতিগ্রস্ত হতে না হয় এবং প্রকৃত অপরাধীরা যেন ছাড়া না পান, তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
যদি তদন্তকাজে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অসহযোগিতা করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) চট্টগ্রাম চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্সের সমাপনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
কনফারেন্সে মামলার দ্রুত ও সঠিক নিষ্পত্তি, তদন্তের মান উন্নয়ন, গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিল, সাক্ষীর উপস্থিতি নিশ্চিত করা, জখমি সনদ ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন সংগ্রহ এবং আদালতের নিরাপত্তাসহ বিচারপ্রক্রিয়ার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সমাপনী বক্তব্যে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, তদন্তকাজে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে সহযোগিতা করতে সকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান বাধ্য। কেউ যদি অসহযোগিতা করে, তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যার ওপর যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তা আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করাই দেশপ্রেমের পরিচয়।
কনফারেন্সের শুরুতে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও ফোকাল পারসন মো. মহিদুল ইসলাম স্বাগত বক্তব্যে বলেন, দ্রুত মামলা নিষ্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্ট সব বিভাগের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক ও পারস্পরিক সহযোগিতা অপরিহার্য।
ফৌজদারি কার্যবিধির সংশোধনী বিষয়ে আলোচনা করেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আলমগীর হোসেন। তিনি সংশোধিত আইনের বিধান অনুসরণ করে আসামি গ্রেফতার থেকে শুরু করে বিচারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
চট্টগ্রাম চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের উদ্যোগে আয়োজিত এ কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মো. হাবিবুর রহমান, উপ-পুলিশ কমিশনার (প্রসিকিউশন) মো. হাসান ইকবাল চৌধুরী, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি তারিক আহম্মদ ও সাধারণ সম্পাদক মো. মাইনুদ্দিন, মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর মো. মফিজুল হক ভূঁইয়া, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর পরিচালক মো. আমিন উদ্দিন, বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম মহানগর এলাকার ১৬টি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন