প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতে লোহা উৎপাদনের এক নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে। চলতি ২০২৬ সালের প্রথম আট মাসে দেশটি রেকর্ড ২৩ কোটি টন আকরিক লোহা উত্তোলন করেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
ওড়িশা, ছত্তিশগড় এবং বিশেষ করে মহারাষ্ট্র রাজ্যে খনি থেকে লোহা উত্তোলনের পরিমাণ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে। বিগমিন্ট-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বছরের শেষে ভারতে লোহা উৎপাদনের পরিমাণ ৩৫ কোটি টন ছাড়িয়ে যেতে পারে।
এই উল্লেখযোগ্য সফলতার পেছনে রয়েছে মুক্ত বাজারের বাণিজ্যিক খনি মালিকদের অবদান। বছরের মধ্যে তাদের উৎপাদন প্রায় ২৮ শতাংশ বেড়েছে। অন্যদিকে, ইস্পাত কারখানাগুলোর নিজস্ব খনিগুলো থেকে উৎপাদন মাত্র ৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে দেশে নতুনভাবে যুক্ত হওয়া লোহারের তিন ভাগের দুই ভাগই এসেছে বাণিজ্যিক খনিগুলো থেকে।
সরকারি প্রতিষ্ঠান এনএমডিসি উৎপাদনে বরাবরের মতো নেতৃত্ব দিচ্ছে। তারা একাই প্রায় পৌনে চার কোটি টন লোহা উত্তোলন করেছে। মহারাষ্ট্রে নতুন পাইপলাইন ও খনির কাজ বৃদ্ধি করায় লয়েডস মেটালস নামের একটি প্রতিষ্ঠান চমকপ্রদ পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেছে, যেখানে তাদের উৎপাদন বেড়েছে প্রায় ১৪৭ শতাংশ। টাটা স্টিল ও সেইল-এর মতো বড় কোম্পানিগুলোর উৎপাদন বৃদ্ধি পেলেও, নিলাম থেকে উচ্চ দামে খনি কেনার কারণে জেএসডব্লিউ স্টিল ও জিন্দাল স্টিলের মতো কিছু প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন কিছুটা কমেছে।
যদিও খনি কোম্পানিগুলো অতিরিক্ত খরচ ও উচ্চ রয়্যালটির কারণে চাপে রয়েছে, তবুও ভারতীয় বাজারে এই শিল্পের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা স্পষ্ট। তবে দেশে রেকর্ড পরিমাণ লোহা উৎপাদন হওয়া সত্ত্বেও উন্নতমানের লোহার ঘাটতি এবং বর্ষাকালের খরচের কারণে বিদেশ থেকে লোহা আমদানি কমছে না, বরং তা বাড়তেই চলেছে।
সূত্র: জিএমকে সেন্টার।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন