প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আর্জেন্টিনার এক বিচারক ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের নিকটবর্তী একটি ব্রিটিশ-ইসরাইলি তেল প্রকল্প সাময়িকভাবে বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন। তবে, এই আদেশের বাস্তবায়নের সুযোগ অত্যন্ত সীমিত। এটি মূলত ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপর আর্জেন্টিনার দীর্ঘকালীন দাবিকে আরও শক্তিশালী করার একটি প্রতীকী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
স্থানীয় সময় বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) আর্জেন্টিনার দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ তিয়েরা দেল ফুয়েগোর আদালত এই অন্তর্বর্তী আদেশ প্রদান করে। চলতি মাসের শুরুতে ১৯৮২ সালের যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী কিছু সাবেক সেনা ও পরিবেশবিষয়ক আইনজীবীরা মামলাটি দায়ের করার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
মামলার মধ্যে ব্রিটিশ কোম্পানি রকহপার এক্সপ্লোরেশন এবং ইসরাইলি কোম্পানি নাভিটাস পেট্রোলিয়াম পরিচালিত ‘সি লায়ন’ তেলক্ষেত্রের কার্যক্রম বন্ধ করার আবেদন করা হয়েছে। উল্লেখ্য, তেলক্ষেত্রটি ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ থেকে প্রায় ২২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোকে সেখানে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান, উত্তোলন, খনন, অবকাঠামো নির্মাণ বা অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম শুরু, চালিয়ে যাওয়া বা করানো থেকে বিরত থাকতে হবে।
পরিবেশগত প্রভাবের মূল্যায়ন শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ কার্যকর থাকবে। বিচারক সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে ১০ দিনের মধ্যে প্রকল্পটির বর্তমান অবস্থা, ঠিকাদার এবং অর্থায়নকারীদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেইরের সরকারও এই তেল প্রকল্পের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সরকারের যুক্তি, ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের বিরোধ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত একতরফাভাবে কোনো কার্যক্রম চালানোর আহ্বান জানানো জাতিসংঘের প্রস্তাবের সঙ্গে এই প্রকল্প সাংঘর্ষিক।
আদালতের এই আদেশের মাত্র এক দিন আগে আর্জেন্টিনা জানিয়েছিল, ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের আশপাশে তেল অনুসন্ধানকারী কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে তারা আরও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এর ফলে ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রিত এই অঞ্চলে ব্যবসা করা কোম্পানিগুলোর ওপর আর্জেন্টিনার চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন