প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পশ্চিমবঙ্গে দুইদিনের সফরে এসেছেন। তার এই সফর শনিবার (২০ জুন) পশ্চিমবঙ্গ দিবস এবং রোববার (২১ জুন) আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে ঘটছে।
শনিবার (২০ জুন) তারকেশ্বরে পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত একটি জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদী ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত, অবিভক্ত বাংলার ‘গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং’ এবং নোয়াখালীর দাঙ্গার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন।
নিজের ভাষণে জনসভা থেকে নরেন্দ্র মোদী বলেন, ‘পরাধীন থাকার সময় আমাদের বাংলা কী না সহ্য করেছে! কত বলিদান দিয়েছে, কত ত্যাগ করেছে। ১৯৪৬ সালে কলকাতায় যে সহিংসতা হয়েছিল, নোয়াখালীতে যে দাঙ্গা হয়েছিল, তাতে কত নির্দোষ বাঙালি প্রাণ হারিয়েছেন। বাংলা রক্তপাত সহ্য করেছে, নিজের মানুষকে হারিয়েছে, নিজের মাতৃভূমিকে টুকরো হতে দেখেছে। কিন্তু নিজের অস্মিতা ও পরিচয়কে নষ্ট হতে দেয়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘পুরো বাংলাকে ভারতের থেকে আলাদা করার একটি চক্রান্ত করা হচ্ছিল। তখন আলাদা পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য তৈরি করে সেই চক্রান্তকে সফল হতে দেওয়া হয়নি। হাজার বছরের পুরোনো সভ্যতা, সংস্কৃতি এবং এখানকার মূল আস্থা ও পরম্পরা অনেক আন্দোলনের পর রক্ষা পেয়েছে।’
ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, ‘সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া নিয়ে আগের রাজ্য সরকার জমি হস্তান্তরের কাজ আটকে রেখেছিল। তবে নতুন সরকার গঠন হতেই জমি হস্তান্তরের কাজ শুরু হয়ে গেছে।’
পশ্চিমবঙ্গের সাবেক শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করে নরেন্দ্র মোদী মন্তব্য করেন, ‘যারা আপনাদের শোষণ করেছে, তারা নিজেরাই এখন এসে আপনাদের কাছ থেকে লুটে নেওয়া টাকা ফেরত দিতে বাধ্য হচ্ছে। বড় বড় দুর্নীতিগ্রস্তদের জেলে পাঠানো হচ্ছে। যারা সিন্ডিকেট রাজ চালাত, তারা এখন জনগণের কাছে ক্ষমা চাইছে। অবৈধভাবে চাঁদাবাজি করা গুন্ডারা ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।’
রোববার কলকাতার ঐতিহ্যবাহী রেড রোডে ‘যোগ দিবস’-এর অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। এ নিয়ে এরই মধ্যে রাজ্যজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিরোধীদের মতে, যানজটের অজুহাত দেখিয়ে কলকাতার রেড রোডে মুসলিম সম্প্রদায়ের ঈদের নামাজের জন্য কয়েক ঘণ্টার অনুমতি দেয়নি বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার। অথচ সেই একই রেড রোড আটকে এবার যোগ দিবস পালন করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন