প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর তারেক রহমান প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়া গিয়েছেন। সরকার প্রধান তারেক রহমানের প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরের মূল অংশ নিয়ে দেশটির প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। ভিডিওতে বাংলাদেশের শিল্পী হাবিব ওয়াহিদ ও মেহরনিগরি রুস্তামের গাওয়া গান ‘মহাজাদু’ ব্যবহার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল ৯টার সময় তারেক রহমানের সম্পূর্ণ সফরের একটি ভিডিও চিত্র আনোয়ার ইব্রাহিমের অফিসিয়াল পেজে প্রকাশ করা হয়।
পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, Tarique Rahman এর মালয়েশিয়া সফর, যা দায়িত্ব গ্রহণের পর তার প্রথম সরকারি সফর, দীর্ঘ-প্রতিষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে জোরদার করার জন্য আস্থা ও পারস্পরিক অঙ্গীকারের প্রতিফলন।
এই সফর মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ বন্ধুত্বকে শক্তিশালী করে এবং উভয় দেশের মানুষের কল্যাণ ও মঙ্গলার্থে কৌশলগত সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য পারস্পরিক অঙ্গীকারে আবদ্ধ হয়েছে।’
২ মিনিট ৪০ সেকেন্ডের ভিডিওতে দুই দেশের সরকারপ্রধানের বৈঠক, মধ্যাহ্নভোজ, সাংস্কৃতিক আয়োজনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি তুলে ধরা হয়েছে। পুরো ভিডিওতে ‘আমার বন্ধু মহাজাদু জানে’ গানটি ব্যবহার করা হয়েছে, মাঝে একটি বৈঠকের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তও দেখা গেছে।
সেখানে আনোয়ার ইব্রাহিমকে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে বলতে শোনা যায়, ‘অবশ্যই, যৌথ প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশ এবং এখানে (মালয়েশিয়া) থাকা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সংকট সমাধানের চেষ্টা করবো।’ একইসাথে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের অফিস এবং আসিয়ানের মাধ্যমে আমরা মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করবো, যাতে এই সমস্যার আংশিক সমাধান করা যায়।
দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে আনোয়ার ইব্রাহিম কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে জানান, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও উভয় দেশের মানুষের মঙ্গলের জন্য সহযোগিতার অনেক সম্ভাবনা রয়েছে এখনও।
এছাড়াও, এই চুক্তি মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে এবং ভবিষ্যতে সহযোগিতার জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে—এতে বিশ্বাস তিনি প্রকাশ করেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বর্তমানে মালয়েশিয়ায় দুই দিনের সরকারি সফর শেষে চীনে অবস্থান করছেন। সফরে তিনি চীনের দালিয়ানে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের ১৭তম ‘নিউ চ্যাম্পিয়নস’-এর বার্ষিক সভায় অংশ নেবেন। দালিয়ানের কর্মসূচি শেষে তিনি রাজধানী বেইজিংয়ে যাবেন, যেখানে সফরের মূল দ্বিপক্ষীয় কার্যক্রম শুরু হবে।
বাংলাদেশ ও চীনের কূটনৈতিক সম্পর্কের ‘সোনালি ৫০ বছর’-এ প্রবেশের মুখে এই সফরটি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ভবিষ্যৎ পথরেখা নির্ধারণে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এবং ঐতিহাসিক বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন