প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, তরুণরাই দেশের ভবিষ্যৎ এবং প্রধান চালিকাশক্তি। নতুন প্রজন্মের চাওয়া রাষ্ট্রের কাছে হচ্ছে যে তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণ হবে এবং নিশ্চিত হবে সকলের ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক ভাগ্যোন্নয়নের সুযোগ।
রাষ্ট্রপতি আজ এক বাণীতে এসব কথা বলেছেন, যা আগামীকাল বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষ্যে। তিনি বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৬’ পালিত হচ্ছে, জেনে আমি আনন্দিত।
রাষ্ট্রপতি যোগ করেন, বাংলাদেশ বিশ্বের একটি অন্যতম জনবহুল দেশ, যার এক-তৃতীয়াংশ তরুণ প্রজন্ম। দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করা সম্ভব হলে নতুন প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হবে। পাশাপাশি নিশ্চিত হবে সমৃদ্ধ আগামীর স্বপ্ন। এ প্রেক্ষাপটে দিবসটির এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘তারুণ্যের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রত্যয়ে সুন্দর আগামী গড়ি’ সময়োপযোগী এবং যথার্থ বলে আমি মনে করি।
বর্তমান সরকারের তরুণদের সুশিক্ষিত, দক্ষ এবং নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকারের কথা উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে সরকার দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক, কর্মমুখী ও উৎপাদনমুখী করতে বহু পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, যুবসমাজের সৃজনশীলতা ও নেতৃত্বের বিকাশ এবং ডিজিটাল প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে দক্ষ করে গড়ে তুলতে কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষা ও প্রশিক্ষণে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি সামাজিক অবক্ষয় যেমন মাদক, বাল্যবিবাহ ও সহিংসতা রোধে সচেতনতা তৈরি এবং আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, বিশ্বাস করি, এসব উদ্যোগ নতুন প্রজন্মের বিকাশ এবং জীবনমান উন্নয়নে সহায়ক হবে। দেশের সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং টেকসই উন্নয়নের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক হিসেবে কাজ করবে।
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, নাগরিক সুস্বাস্থ্য এবং পরিকল্পিত পরিবার একটি সুস্থ এবং কর্মক্ষম জাতির জন্য অপরিহার্য। এই প্রেক্ষাপটে সরকার দেশের স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নেও ব্যাপকভিত্তিক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। তরুণ প্রজন্মকে প্রকৃত মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা, মা-শিশু স্বাস্থ্য, প্রজনন স্বাস্থ্য ও বয়ঃসন্ধিকালীন স্বাস্থ্য সেবাকে কার্যকর এবং সর্বজনীন করে তুলতেই সংশ্লিষ্ট সকলকে যথাযথ ভূমিকা রাখতে হবে।
তিনি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বেসরকারি সংস্থা ও সকলকে তরুণদের উন্নয়নে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশের স্বাস্থ্যসেবা অবকাঠামোর সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করে মানসম্মত পরিবার পরিকল্পনা, মা-শিশু স্বাস্থ্য ও কৈশোরকালীন স্বাস্থ্যসেবার প্রদানে সকলের আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা প্রকাশ করেন।
রাষ্ট্রপতি ‘বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০২৬’ উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন