প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে সাত বছরের একটি শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় জনতা জাহিদুল নামের এক যুবককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার তালশহর পশ্চিম ইউনিয়নের আন্দিদিল গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশুর নাম মাহিদা, যিনি ওই গ্রামের সৌদি আরবপ্রবাসী মোজাম্মেল হকের কন্যা। পুলিশ খবর পেয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে।
ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘটনার সময় শিশু মাহিদা ও তার বোন বাড়িতে ছিল। তাদের মা চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার জন্য বাইরে ছিলেন। নামাজের সময় পাশের বাড়ির চাচাতো চাচা জাহিদুল মাহিদাকে ডেকে নিয়ে যায়।
মাহিদাকে বাড়িতে না পেয়ে তার মা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে জাহিদুলের চাচার বাড়ির সামনে শিশুটির জুতা পড়ে থাকতে দেখে তার সন্দেহ হয়। এ বিষয়ে জাহিদুলকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, পানি পান করে মাহিদা চলে গেছে।
এতে তার সন্দেহ আরো ঘনীভূত হলে শিশুটির মা জাহিদুলের ঘরে প্রবেশ করেন। সেখানে তিনি মাহিদার নিথর দেহ দেখতে পান। তার চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে জাহিদুল পালিয়ে যান। পরে বিকেলে স্থানীয় লোকজন তাঁকে আটক করে মারধর করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক মনির হোসেন জানান, শিশুটিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সরাইল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, অভিযুক্ত জাহিদুলকে আটকের পর পুলিশের কাছে ঘটনার দায় স্বীকার করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন