প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ডার্ক চকোলেট একটি পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ খাবার হিসেবে পরিচিত, যা কোকো ফ্ল্যাভানলে ভরা থাকে। সীমিত পরিমাণে—প্রতি দিন ১ থেকে ২ টুকরো—গ্রহণ করলে এটি হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য উন্নত করতে, মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে এবং কিছু ক্ষেত্রে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে। অনেকের বিশ্বাস, এটি পিরিয়ডের ব্যথাও কমাতে সাহায্য করে—কিন্তু বাস্তবে বিষয়টি কতটা সঠিক?
সত্যি বলতে, ডার্ক চকোলেট সরাসরি পিরিয়ডের ব্যথার চিকিৎসা নয়, তবে কিছু ক্ষেত্রে এটি আরাম দিতে পারে। এর মধ্যে থাকা ম্যাগনেসিয়াম পেশি শিথিল করতে সাহায্য করে, ফলে জরায়ুর সংকোচন কিছুটা হ্রাস পায়—যা পিরিয়ডের ব্যথার একটি প্রধান কারণ। আরও উল্লেখযোগ্যভাবে, এর মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং সামান্য পটাশিয়াম রক্তসঞ্চালন উন্নত করতে এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। তাই অনেক নারী সীমিত ডার্ক চকোলেট খেলে কিছু আরাম অনুভব করেন।
পিরিয়ডের সময় ডার্ক চকোলেটের সুবিধা রয়েছে। এটি মস্তিষ্কে সেরোটোনিন এবং এন্ডোরফিনের নিঃসরণ বাড়িয়ে মানসিক অবস্থা উন্নত করতে সাহায্য করে। এর ফলে পিরিয়ডের সময় যেসব মেজাজ খারাপ, বিরক্তি এবং মানসিক চাপের সৃষ্টি হয়, তা কিছুটা কমে যায়। যেহেতু মানসিক চাপ ব্যথা বাড়িয়ে দিতে পারে, ভালো মেজাজ থাকা পরোক্ষভাবে ব্যথা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
তবে এটি সম্পূর্ণ সমাধান নয়। তীব্র পিরিয়ডের ব্যথা অনেক সময় এন্ডোমেট্রিওসিস বা হরমোনজনিত সমস্যা সম্পর্কিত হতে পারে, যা জন্য চিকিত্সকের পরামর্শ নেওয়া জরুরী। অতিরিক্ত বা বেশি চিনি যুক্ত চকোলেট খেলে পেট ফাঁপা বা অস্বস্তি দেখা দিতে পারে।
ক্র্যাম্প কমানোর জন্য স্বাস্থ্যকর পন্থা হিসেবে বিশেষজ্ঞরা সাধারণত উচ্চ কোকোযুক্ত (৭০% অথবা তার বেশি) ডার্ক চকোলেট বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেন, কারণ এতে চিনি কম এবং ম্যাগনেসিয়াম বেশি থাকে। পাশাপাশি, নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত পানি পান, গরম সেঁক, ভালো ঘুম এবং সুষম খাবার গ্রহণ পিরিয়ডের ব্যথা নিয়ন্ত্রণে আরো কার্যকর হতে পারে। তীব্র ব্যথা অনুভব হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন