প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চট্টগ্রাম, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : প্রতি ৯ মিনিটে বিশ্বে একজন ব্যক্তি জলাতঙ্কের কারণে প্রাণ হারাচ্ছেন। আক্রান্তদের মধ্যে একটি বড় অংশ শিশু। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত, চীন ও বাংলাদেশসহ এ অঞ্চলের দেশগুলোতে জলাতঙ্কের ঝুঁকি বেশি থাকলেও সচেতনতা, প্রাণীর টিকাদান এবং আক্রান্ত ব্যক্তিকে দ্রুত চিকিৎসার আওতায় এনে এ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।
আজ বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রামে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা এসব তথ্য উপস্থাপন করেন। ‘একসাথে, আরও শক্তিশালী-জলাতঙ্ক মুক্ত বিশ্ব গড়ি’ এই প্রতিপাদ্যে দিবসটি উদযাপন করা হয়।
দিবসটি উপলক্ষে চট্টগ্রাম জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের উদ্যোগে জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় থেকে একটি র্যালি বের করা হয়। র্যালিতে প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, প্রাইভেট ভেটেরিনারি অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি এবং চট্টগ্রাম ডেইরি খামারি নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। র্যালিটি নগরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
পরে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিভাসু) ভেটেরিনারি অনুষদের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ যোবায়ের হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পরিচালক ডা. মো. আতিয়ার রহমান।
বক্তারা উল্লেখ করেন, প্রতিবছর বিশ্বে প্রায় ৩ লাখ মানুষ জলাতঙ্কে আক্রান্ত হন, যাদের মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশই শিশু। ভারত, চীন ও বাংলাদেশসহ এ অঞ্চলের দেশগুলোতে জলাতঙ্কের ঝুঁকি বেশি হওয়ায় প্রাণীদের টিকাদানের পাশাপাশি মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি অপরিহার্য।
তারা আরও বলেন, জলাতঙ্ক নিয়ন্ত্রণের জন্য শুধুমাত্র চিকিৎসার উপর নির্ভর করা সম্ভব নয়। কুকুরসহ ঝুঁকিপূর্ণ প্রাণীর টিকাদান, আক্রান্ত প্রাণী শনাক্তকরণ, কামড়ের পর দ্রুত চিকিৎসা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজন। এসব কার্যক্রম জোরদার করা গেলে ২০৩০ সালের মধ্যে জলাতঙ্কে মানুষের মৃত্যুর ঘটনা শূন্যে নামিয়ে আনার বৈশ্বিক লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন