প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সউদী আরবের রাজধানী রিয়াদকে লক্ষ্য করে হামলা চালানোর জন্য ব্যবহৃত একটি ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র ধ্বংস করা হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) রাতে, ইয়েমেনে বৈধ সরকারকে সহায়তা প্রদানকারী যৌথ বাহিনীর সরকারি মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সউদী গেজেটের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, তুর্কি আল-মালিকি এক বিবৃতিতে জানান যে, ধ্বংসকৃত উৎক্ষেপণ কেন্দ্রটি ইয়েমেনের রাজধানী সানায় অবস্থিত ছিল। সেখান থেকে সউদী আরবের বিরুদ্ধে একটি নতুন হামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল। যৌথ সামরিক বাহিনীর দ্রুত এবং সুনির্দিষ্ট অভিযানে এই কেন্দ্রটি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করা হয়।
এর আগে, ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা সউদী আরবের বেসামরিক বিমানবন্দরগুলোকে লক্ষ্য করে একাধিক ড্রোন এবং ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। এর মধ্যে রয়েছে রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় আভা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলা, যেখানে কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং বাংলাদেশীসহ অনেকেই আহত হন।
বুধবার (৭ অক্টোবর) সউদী আরবের জেনারেল অথরিটি অফ সিভিল এভিয়েশন (গাকা) এক বিবৃতিতে জানায়, আভা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথিদের পৃথক হামলায় অন্তত ৩ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং ৩৬ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে বাংলাদেশী নাগরিকও রয়েছেন।
ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা এই হামলার দায় স্বীকার করেছে। গোষ্ঠীটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারী দাবি করেন, ড্রোন বা চালকবিহীন বিমান ব্যবহার করে রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আক্রমণ চালানো হয়েছে। পাশাপাশি, ড্রোন এবং ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের যৌথ ব্যবহারের মাধ্যমে আভা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আঘাত হানা হয়।
এর আগে, বৈশ্বিক এয়ারলাইন্সগুলোকে পবিত্র মক্কা ও মদিনা ছাড়া সউদী আরবের পুরো আকাশসীমা ব্যবহারে ‘সর্বশেষ সতর্কতা’ জারি করে হুথি বিদ্রোহীরা। এর পরপরই পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে সউদী নেতৃত্বাধীন যৌথ বাহিনী সানায় হামলা চালিয়ে এই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রটি ধ্বংস করার কথা ঘোষণা করে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন