প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ভাঙন শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে হঠাৎ করে বাঁধে ভাঙন দেখা দেয়।
এখন পর্যন্ত উপজেলার বুড়িরহাট এলাকার ক্রসবাঁধের ৪০ মিটার অংশ নদীগর্ভে চলে গেছে। স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে, কারণ দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে বাঁধটি ভেঙে গেলে বড়দারগা, বুড়িরহাট, রামহরি, চতুরা, কালিরমেলা ও ডাংরারহাট গ্রামের প্রায় ২০ হাজার মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়বে। বসতভিটা, ফসলি জমি এবং অন্তত পাঁচটি বাজার নদীতে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, তিস্তা নদীর কাউনিয়া স্টেশনে মঙ্গলবার সকাল ৬টায় পানির উচ্চতা ছিল ২৮ দশমিক ৭৩ মিটার এবং সকাল ৯টায় তা ২৮ দশমিক ৭৫ মিটার।
ওই স্টেশনে তিস্তার বিপৎসীমা ২৯ দশমিক ৩১ মিটার। স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার সকাল ৭টা থেকে বুড়িরহাট ক্রসবাঁধের কিছু অংশে হঠাৎ ভাঙন শুরু হয়। পরে বাঁধের উত্তর ও দক্ষিণ পাশে ভাঙন ছড়িয়ে পড়ে। নদীর স্রোত তীব্র থাকায় বাঁধের নিচের অংশের মাটি ও বালু সরে যাওয়ার কারণে পরিস্থিতি আরো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. সালাম মিয়া অভিযোগ করেন, “গতকাল আমরা দেখেছি নদীর স্রোত অনেক বেশি ছিল। গত বছরের মতো এবারও ভাঙনের লক্ষণ দেখেছিলাম। আশঙ্কার কথা অনেককে জানিয়েছি। কিন্তু তখন কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।”
বুড়িরহাট এলাকার আরেক বাসিন্দা মাইদুল ইসলাম (৩৫) বলেন, “শুকনা মৌসুমে এখানে বালু ছিল।
একটা জায়গা অল্প দেবে গিয়েছিল। তখন কাজ করা হয়নি। এখন পানি বেড়েছে, বালু নেই, কীভাবে ভাঙন সামলাবে?”
এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান বলেন, “বুড়িরহাট ক্রসবাঁধে হঠাৎ ভাঙন দেখা দেওয়ার খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ফেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আশা করি দ্রুত ভাঙন রোধ করা সম্ভব হবে।”
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন