প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গাজার এলাকায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত পাঁচ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) একাধিক বিমান হামলা এবং ট্যাংকের গোলায় এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গাজা সিটির উত্তরাঞ্চলের তুফ্ফাহ এলাকায় এক বিমান হামলায় দুজন নিহত হন। তাছাড়া, গাজা সিটির পশ্চিমাঞ্চলে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের একটি তাঁবুতে হামলার ফলে একজন নিহত ও কয়েকজন আহত হয়েছেন। শহরের পূর্বাঞ্চলে একটি ইসরায়েলি ট্যাংকের গোলায় একজন নিহত হন। দক্ষিণাঞ্চলের খান ইউনিসে একটি গাড়িতে হামলায় আরও একজন প্রাণ হারিয়েছেন।
গত বছরের অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও হামাস এক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। কিন্তু, হামলার ঘটনা এড়ানো যায়নি। বিভিন্ন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও ইসরায়েলি হামলায় এক হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়ে গেছেন।
এছাড়া গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবেশের ক্ষেত্রে কঠোর বিধিনিষেধ অব্যাহত থাকায়, সেখানে মানবিক সংকট আরও গভীর হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
যুদ্ধে নিহত একজনের স্বজন জিবরিল খাত্তাব বলেছেন, ‘গাজার মানুষ একটি দিনও প্রকৃত যুদ্ধবিরতি দেখেনি। এই যুদ্ধবিরতি কেবল একটি মরীচিকা, গাজার কোথাও নিরাপদ নয়।’
যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও গাজায় পুনর্গঠনের কাজে এখনও হাত দেওয়া হয়নি। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকার এখন পর্যন্ত পুনর্গঠনের অনুমতি দেয়নি।
আগামী ২৭ অক্টোবর ইসরায়েলে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার ঘোষণা রয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের আশঙ্কা, ক্ষমতা ধরে রাখার লক্ষ্যে নেতানিয়াহু গাজায় সামরিক অভিযান আরও জোরদার করতে পারেন।
বিশ্লেষকরা বলছেন, গাজার পুনর্গঠনে অন্তত ১০ বছর সময় এবং ৭০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি খরচ হতে পারে। তবে, ইসরায়েলের নির্বাচন শেষ হওয়ার আগে পুনর্গঠন কার্যক্রম শুরু হওয়ার সম্ভাবনা খুবই সামান্য। নির্বাচনের পরও এ ব্যাপারে দেরি হতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন