প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
৪৫তম বিসিএসে অডিট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে গেজেটে স্থান না পাওয়ার কারণে কষ্টে ভুগছেন সুমি আকতার।
গত শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) তিনি ফেসবুক লাইভে এসে অঝোরে কেঁদে ফেলেন। এই সময় তিনি গেজেটে অন্তর্ভুক্ত না হওয়ার কারণও তুলে ধরেন।
সূত্রে জানা যায়, সুমি আকতার এসএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) বন ও পরিবেশবিদ্যা বিষয়ে স্নাতক (সম্মান) পরীক্ষায় সিজিপিএ ৪-এর মধ্যে ৩.৮৮ এবং স্নাতকোত্তরে ৩.৯৯ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন। তার শ্বশুরবাড়ি চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার ৫ নম্বর ইউনিয়নে অবস্থিত।
এম এ তাহের ফেসবুকে উল্লেখ করেছেন যে, সুমি ৪৫তম বিসিএসে অডিট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস ক্যাডারে মেধাক্রমে ১১তম এবং ৪৬তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে মেধাক্রমে ৬৭তম স্থান অর্জন করেছেন। তবে ৪৫তম বিসিএসের চূড়ান্ত গেজেটে তার নাম নেই।
গত ১৪ অক্টোবর ৪৫তম বিসিএসের চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়। এরপর শুক্রবার তিনি ফেসবুক লাইভে এসে কান্নায় ভেঙে পড়েন।
সুমি বলেন, "সন্তান গর্ভে থাকাবস্থায় আমি বিসিএসের লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলাম। আমার অপরাধ কী? আমি কি রাষ্ট্রের সেবা করার অযোগ্য? সাত বছরের পরিশ্রম, মেধা ও যোগ্যতার মূল্যায়ন কোথায়?"
এম এ তাহের, ছাত্রলীগ নেতা, ফেসবুকে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, স্বামী এম এ তাহের নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক হওয়ায় গেজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
ফেসবুকে সুমি লিখেছেন, "দীর্ঘ সাত বছরের সাধনা, অসংখ্য নির্ঘুম রাত, ব্যক্তিগত ত্যাগ আর বুকভরা স্বপ্নের পর রাষ্ট্রের গেজেটে নাম না থাকাটা আমার কাছে শুধু একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং পরিবারকে ঘিরে গড়ে তোলা প্রত্যাশার ওপর বড় আঘাত।"
তিনি আরও জানান, তিনি করুণা নয়, ন্যায়বিচার চান এবং চান তার বিরুদ্ধে নেওয়া সিদ্ধান্তের স্বচ্ছ ব্যাখ্যা। কোনো অভিযোগ থাকলে এর ন্যায্য মূল্যায়ন দাবি করে তিনি লেখেন, "সিদ্ধান্তে অন্যায় হলে সেই অন্যায়ের প্রতিকার হওয়া উচিত।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন