প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিতর্কের মেঘ দূর করে পুনরায় ফিফা সভাপতি পদে নির্বাচনের জন্য শক্ত ভিত্তি গড়ছেন জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। শীর্ষ প্রতিযোগিতা এবং বিশ্বকাপের আয়োজনের স্বত্ব বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রির পরিকল্পনা বাতিল করার পর এবং ক্ষমাপ্রার্থনার মাধ্যমে, এবার তিনি এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (এএফসি) নিঃশর্ত সমর্থন লাভ করেছেন।
আজ জাপানের টোকিওতে অনুষ্ঠিত এএফসির বিশেষ কংগ্রেস বৈঠকে ৫৬ বছর বয়সী ইনফান্তিনো উপস্থিত ছিলেন। সেখানে এএফসি সভাপতি শেখ সালমান বিন ইব্রাহিম আল-খলিফা আনুষ্ঠানিকভাবে ফিফা সভাপতি হিসেবে ইনফান্তিনোর নেতৃত্ব ও তার আসন্ন প্রার্থিতার প্রতি এশীয় অঞ্চলের পূর্ণ প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
গত আগস্টে ফিফার বিশ্বমানের প্রতিযোগিতাগুলোর স্বত্ব বেসরকারি খাতে উন্মুক্ত করার উচ্চাকাঙ্ক্ষী পরিকল্পনার কারণে ইনফান্তিনো উয়েফা এবং কনকাকাফের সঙ্গে এএফসি-র তীব্র সমালোচনার সম্মুখীন হন। একাধিক জাতীয় অ্যাসোসিয়েশন সমর্থন প্রত্যাহার করে নিলে তার পদত্যাগের দাবিও ওঠে। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গত সপ্তাহে ২০১৬ সাল থেকে দায়িত্ব পালন করে আসা এই ফিফা প্রধান তার সিদ্ধান্তের জন্য ক্ষমা চান।
অতীতের বিতর্ককে পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার বার্তা দিয়ে শেখ সালমান বলেন, "জিয়ান্নি, অতীতে আমাদের কিছু বিষয়ে মতবিরোধ ও আলোচনা হয়েছিল—সেটি সত্য। তবে দুটি বিষয়কে এক করে মেলানো ঠিক হবে না। অতীত আমাদের ইতিহাসের অংশ, যা থেকে আমরা সবাই শিক্ষা নিয়েছি। আমাদের এখন সামনে এগিয়ে যেতে হবে... কারণ ফুটবল তখনই সবচেয়ে শক্তিশালী হয়, যখন আমরা একসঙ্গে কাজ করি।"
শেখ সালমান এশিয়ার সদস্য দেশগুলোর মনোভাব তুলে ধরে আরও জানান, ইনফান্তিনো এশিয়ার অনেক দেশ সফর করায় তার প্রতিশ্রুতির বিষয়টি স্পষ্ট এবং এশীয় সদস্য দেশগুলোও তার প্রতি অত্যন্ত স্পষ্ট সমর্থন বজায় রাখছে।
আগামী বছরের মার্চে ফিফা সভাপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রার্থিতা জমা দেওয়ার শেষ সময়সীমা আগামী ১৮ নভেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। চতুর্থ ও শেষ মেয়াদের লড়াইয়ে ইনফান্তিনো নামলেও উয়েফাসহ ইউরোপীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনগুলোর কিছু অংশ এখনও তার সমালোচনায় মুখর রয়েছে এবং কিছু শীর্ষ অ্যাসোসিয়েশন সমর্থন ফিরিয়ে নিয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বড় মাপের কোনো প্রার্থী নির্বাচনের ঘোষণা না দেওয়ায় এবং এশিয়ার পূর্ণ সমর্থন মেলায় ইনফান্তিনোর আবারও ফিফা প্রধান হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই প্রবল হলো।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন