প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকায় নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
এই সৌজন্য সাক্ষাৎটি বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) স্পিকার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এ সময় বলেন, বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে একটি দীর্ঘকালীন বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সাম্প্রতিক জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জার্মানির পর্যবেক্ষক দলের উপস্থিতি দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করেছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, জার্মানি এবং বাংলাদেশ উভয়ই গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে একে অপরের প্রতি ভ্রাতৃপ্রতিম।
স্পিকার বলেন, বাংলাদেশ দীর্ঘকাল ধরে শোষণের শিকার হয়েছে। পাকিস্তান আমলে গণতান্ত্রিক বৈষম্য মারাত্মক আকার ধারণ করেছিল। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জনের পরও দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ বারবার বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১৫ বছরের অপশাসনে দেশের মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল। গুম, খুন, বিচার-বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এবং প্রহসনের নির্বাচনের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়। সেই প্রেক্ষাপটে দেশে পুনরায় গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
স্পিকার উল্লেখ করেন, দেশের মানুষ গণতন্ত্রের জন্য নিজেদের বারবার উৎসর্গ করেছে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য তাদের দীর্ঘ লড়াই কখনো বিঘ্নিত হয়নি।
জার্মানির রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ বলেন, বাংলাদেশ দীর্ঘ পনেরো বছরের স্বৈরাচারী শাসন থেকে মুক্ত হয়ে গণতন্ত্রের পথে অগ্রসর হয়েছে। বর্তমান নির্বাচিত সরকারের সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তিনি এদেশের গণতন্ত্রকে কার্যকর করতে জার্মান সরকারের সর্বোচ্চ সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেন।
সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধিদল জার্মানি-বাংলাদেশের সংসদীয় কমিটি গঠন, মৈত্রী গ্রুপের মাধ্যমে সংসদীয় কূটনীতির প্রসার, অর্থনৈতিক বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় তেল ও গ্যাস কূপ অনুসন্ধান এবং সার কারখানা স্থাপনে গুরুত্বারোপ করেন।
স্পিকার এ সময় বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা ও উপকূলীয় এলাকার গ্যাস ও তেল সম্পদ অনুসন্ধানে জার্মানির বিশেষজ্ঞ দলকে আমন্ত্রণ জানান। তিনি রাষ্ট্রদূতকে জানান, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতি জ্বালানির উপর নির্ভরশীল।
এ অনুষ্ঠানে জার্মান দূতাবাসের প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন