প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোতে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বা ইউসিসি দ্রুত বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সরকারের এই উদ্যোগ মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং ব্যক্তিগত আইন নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) অমিত শাহ মন্তব্য করেন যে, কিছু রাজ্যে ইতোমধ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করা হয়েছে। তিনি আশাবাদী যে ২০২৯ সালের মধ্যে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট শাসিত ২১টি রাজ্যে এই আইন কার্যকর হবে।
ভারতে ফৌজদারি আইন সকলের জন্য অভিন্ন হলেও বিয়ে, বিবাহবিচ্ছেদ এবং উত্তরাধিকারের মতো ব্যক্তিগত বিষয়গুলো দীর্ঘকাল ধরে বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের নিজস্ব আইন ও রীতিনীতির আওতায় পরিচালিত হয়ে আসছে। এসব ব্যক্তিগত আইনকে এক আইনের আওতায় আনার উদ্দেশ্যে বিজেপি সরকার অভিন্ন দেওয়ানি বিধি প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে।
এখন পর্যন্ত ভারতের অন্তত চারটি রাজ্যে ইউসিসি কার্যকর করা হয়েছে। তবে এই আইন নিয়ে রাজনৈতিক এবং সামাজিক অঙ্গনে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি অংশের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে যে, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি তাদের ধর্মীয় এবং ব্যক্তিগত আইন পালনের অধিকারকে সীমিত করতে পারে।
অন্যদিকে ইউসিসির সমর্থকরা দাবি করছেন, এই আইন বহুবিবাহের সুযোগ বন্ধ করবে, নারী ও পুরুষের মধ্যে সম্পত্তির অধিকারে সমতা নিশ্চিত করবে এবং বিবাহবিচ্ছেদের ক্ষেত্রে নারীদের আইনি সুরক্ষা আরও শক্তিশালী করবে।
বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশে, ভারতে প্রায় ২২ কোটি মুসলিম বাস করছেন। জনসংখ্যার দিক থেকে এটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মুসলিম জনগোষ্ঠীর আবাসস্থল। তাই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বাস্তবায়নের উদ্যোগ দেশের সামাজিক এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন